
শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম। এ ঘটনায় শুক্রবার নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করেছে।
ওসি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনকে এসআই সাজ্জাদ হোসেনসহ সঙ্গী ফোর্স রংপুর থেকে গ্রেপ্তার করে। তাকে কচুয়া থানায় আনা হচ্ছে। রবিবার (২৮ জুন) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। অপর অভিযুক্ত শাহীন আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এরআগে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাতে উপজেলার পাথৈর ইউনিয়নের হাটমুড়া গ্রামের প্রধানীয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ১৮ বছর আগে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গত দুই বছর ধরে আলমগীর তার চাচাতো ভাই প্রবাসী হুমায়ুনের স্ত্রী শাহীন আক্তারের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এর জেরে বৃহস্পতিবার রাতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আলমগীর স্ত্রী মরিয়মকে বেধড়ক মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় জ্ঞান হারালে তাকে প্রথমে সাচারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার পথে রাতেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর থেকে আলমগীর পলাতক ছিলেন। এদিকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত শাহীন আক্তারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।



