বড় শাহতলীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় মারধর : কলেজ ছাত্রীসহ আহত ৪

বাড়ি ভাংচুর

চাঁদপুর: চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বড় শাহতলীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে পিতাকে মারধর করার সময় বাঁচাতে গিয়ে কলেজ ছাত্রীসহ একই পরিবারের ৪ জন কে গুরুত্বর আহত করেছে অভিযুক্ত রুবেল কারী ও অন্যান্যরা।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর ) রাতে এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় ভুক্তভোগী মোঃ মোশাররফ হোসেন কারী বাদী হয় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় ইউনিয়নের বড় শাহতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপর চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মোঃ বাহার মিয়াকে বিষয়টি অবগত করলে তার নির্দেশে এসআই মোঃ মহসীন ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

আহতরা হলেনঃ চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের বড় শাহতলী গ্রামের মোঃ মোশাররফ হোসেন কারী, স্ত্রী হাসিনা বেগম, মেয়ে মেশকাতুন নেছা মুমু ও ছেলে কাউসার আহমেদ সিয়াম। এর মধ্যে মোঃ মোশাররফ হোসেন কারী ও মেয়ে মুমু গুরুত্বর আহত হওয়ায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আর অন্যান্যরা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, রুবেল কারী আওয়ামীলীগের নেতা ও সমর্থনকারী পরিচয়ে এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজীসহ নানা অপকর্ম করেছে। ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক থাকা অবস্থায় ইউনিয়নে নানা অপকর্ম করতে দ্বিদা করে নি। যা ইউনিয়নের সাধারণ মমানুষ সকলে অবগত আছেন।  আমি জেলা যুবদলের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্বে রয়েছি। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেও সে কয়েকবার আমার পিতা মৃত মোঃ বাচ্চু কারী ও আমার উপর হামলা করেছে। রুবেল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচার সইতে না পেরে আমি প্রবাসে চলে যাই। বর্তমানে দেশে আসার  খবর শুনে সে পুনরায় গত ৩০ অক্টোবর হঠাৎ আমার বাড়িতে প্রবেশ করে জানালার থাই গ্লাস, টিনের বেড়া, দরজাসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভাংচুর করে। পরে আমি তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে গেলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার উপর হামলা করে। আমাকে মারধর করার সময় স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে এগিয়ে আসলে তাদের উপরও হামলা করা হয়। রুবেল কারীর সাথে রিপন মিজি, রাশেদ মিজি ও শিপন মিজিসহ প্রায় ৮/১০ জন ছিল। তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে অন্ধকারে আমার মেয়ের গলা থেকে ১ ভরি ওজনের স্বর্নের চেইন ও ঘরে থাকা কাঠের শোকেস থেকে নগদ ২ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা তারা নিয়ে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী মোঃ মোশাররফ হোসেন কারী জানান, রুবেল কারী শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভাংচুরের মামলার অন্যতম আসামী। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।

ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম