
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ ওই হোটেলের কক্ষের দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। ইলিয়াছ কাজী পাশবর্তী ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৫নম্বর গুপ্টি ইউনিয়নের কাজী বাড়ির আদম আলী কাজীর ছেলে।
ইলিয়াছ কাজীর ছেলে মাহদী হাসান জানান, তার বাবা গত ৮ জুন বাড়ি থেকে নিখোঁজ। আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ১২ জুন ফরিদগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন (যার নং ৬১৮)। পরবর্তীতে আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) থেকে জানতে পারেন হাজীগঞ্জে একটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে থানায় এসে মরদেহ সনাক্ত করেন।
হোটেলের মালিক ফারুক হোসেন লিটন জানান, ১২ জুন (শুক্রবার) সন্ধ্যায় মো. ইলিয়াস কাজী হোটেলে উঠেন। পরবর্তীতে ১৩ জুন (শনিবার) দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত রুমের দরজা বন্ধ এবং কয়েকবার নক করেও কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে থানায় ফোন করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল মান্নান বলেন, বিকেল পর্যন্ত কয়েকবার দরজা নক করেও ভেতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার রায়হান হোটেল মালিক ফারুক হোসেন লিটনকে জানান। লিটন থানায় ফোন করলে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার। পরে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) মুকুর চাকমা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ওসি আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কীটনাশক পান করে ইলিয়াস কাজীর মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর কিভাবে মৃত্যু হয়েছে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে এবং মরদেহ চাঁদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে।



