শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবৈধ উচ্ছেদকৃত দোকান ফের দখলের চেষ্টা

চাঁদপুর: চাঁদপুর শহরের পৌর এলাকা সম্প্রতি জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে  অবৈধ স্থাপনা,দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়েছে। তবে শুধুমাত্র উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দায় শেষ করলেই চলবে না; স্থায়ী সমাধানের জন্য কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি সচেতন মহলের।
গত সপ্তাহে শহরের বিভিন্ন স্থানের ন্যায় বাসস্ট্যান্ড এলাকার বিষ্ণুদি রাস্তার মাথায় গড়ে উঠা বেশ কিছু অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়। এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই সে সকল দোকান গুলো পুনরায় বসানো হয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
সারেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ২৭ এপ্রিল রাতে এই দোকানগুলো সেই একই জায়গায় বসানো অবস্থায় রয়েছে।লোকচক্ষুর আড়ালে রাতের আঁধারে তারা এই দোকানগুলো বসিয়েছে।
এ সকল অবৈধ ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে এক ধরনের লোভে পরিণত হয়। তাই তারা এই স্থানটি ত্যাগ করতে চাচ্ছেন না,তাই তারা স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় তাদের সহযোগিতা নিয়ে আবার দোকানগুলি সেখানে পূর্ণ স্থাপন করে।
এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। প্রশাসনের এ অভিযান ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তির চেয়ে শঙ্কাই বেশি। কেননা এইসব অবৈধ ভাবে গড়েউঠা দোকানগুলো উচ্ছেদের কয়েকদিন পর পর পুনরায় দখল হয়ে যায়। তবে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা এ অবৈধ দখলদারিত্বের পেছনে নিয়ন্ত্রণহীনতা ও নজরদারির অভাব রয়েছে।
সচেতন মহলের দাবি,এই সকল দোকানগুলিতে সন্ধ্যার পরেই চলে চায়ের আড্ডার আড়ালে মাদক বেচাকেনা।এতে করে যুবসমাজ এদের দ্বারা ধ্বংসের মুখে পরছে।  তবে শুধুমাত্র উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দায় শেষ করলেই চলবে না; স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনে প্রশাসনের সাদা পোশাকদারীদের মাধ্যমে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা। তা না হলে এ অভিযানও আগের মতোই সীমাবদ্ধ থাকবে।
এসকল উচ্ছেদের পর স্থায়িত্ব নিশ্চিত না হলে লোকবল ও সরকারের অর্থ ব্যয়ের সুফল মিলবে না। সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠেছে- বারবার উচ্ছেদ হলেও কেন থামছে না এই অবৈধ দখল? সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতা ও সমন্বয়ের অভাবই কি এর মূল কারণ? তবে স্থানীয়দের মত, এসব প্রশ্নের জবাব না মিললে এলাকায় অবৈধ দখলদারিত্বের চক্র ভাঙা কঠিনই হয়ে যাবে।থেকে যাবে চায়ের আড্ডার স্থলে অবৈধ মাদক বেচাকেনার কারবার।সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উচিত এখনই এদেরকে কঠোরহস্তে দমন করা।
এ বিষয়ে চাঁদপুর পৌর প্রশাসক এরশাদ উদ্দিনের সাথে আলাপকালে তিনি জানান,অ বৈধভাবে কোন দোকান পুনরায় স্থাপন করতে পারবে না।
যদি কেহ করে থাকে তাহলে  আবার উচ্ছেদ করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম