ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের সাহিত্য আড্ডা

চাঁদপুর: বাংলাসাহিত্যের ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ স্মরণে সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে প্যাপিরাস পাঠাগার।

শনিবার (১৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় চাঁদপুর শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ প্যাপিরাস পাঠাগার কার্যালয়ে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়।

পাঠাগারের সভাপতি ও বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সভাপতিত্বে, প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপনের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন সামাজিক সংগঠন ইয়ূথ ফোরাম বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর ও ওয়েলফেয়ার এন্ড এম্পাওয়ারমেন্ট ফাউন্ডেশন(ওয়েফ)-এর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর রোটারিয়ান অ্যাড. আলেয়া বেগম লাকী। তিনি বলেন, সোমেন চন্দের মতো গুণী লেখককে ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আসতে পেরে নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। তিনি কতটা শক্তিশালী লেখক হলে  মৃত্যুর প্রায় সুদীর্ঘ ৮৫ বছর পরও আমরা তাকে স্মরণ করছি আজ।

অনুষ্ঠান কথাশিল্পী সোমেন চন্দ-এর  ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে আলোচনা করেন, পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক আইরিন সুলতানা লিমা, উপদেষ্টা দিলীপ ঘোষ, উপ-সভাপতি ফেরারী প্রিন্স, নির্বাহী সদস্য নাজুমল ইসলাম, শিক্ষক মানসুরা বেগম আছমা, দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি মাইনুদ্দিন জীবন, সাহিত্যানুরাগী আকবর হোসেন লিটন, লিজা ইসলাম জুজু, মনির হোসেন খান।

বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ মাত্র ২২ বছর বয়সে বাংলাসাহিত্যের কালোর্ত্তীণ একজন কথাসাহিত্যিকের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। আজ থেকে প্রায় ৮৫ বছর আগে তাঁর মৃত্যু হয়। এতো বছর পরেও বাংলাসাহিত্যের পাঠক তাঁকে মনে রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বসাহিত্যের ক্ষণকালীন প্রজাপতি জন কীটস, ফ্রানৎস কাফকার কিংবা বাংলাসাহিত্যের ক্ষণজন্মা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের মতো কথাশিল্পী সোমেন চন্দও অল্প কিছুদিন পৃথিবীর আলো-বাতাসে থেকে অমরত্বের সাধ গ্রহণ করেছেন নিজের সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে। নন্দিত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ ‘শঙ্খনীল কারাগারে’ গ্রন্থে স্বীকার করেছেন তিনি সোমেন চন্দের লেখা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বইটি লিখেছেন। যাকে হুমায়ূন আহমেদ অনুসরণ করেছেন তিনি কতটা মহান লেখক হতে পারে সেটা একটু চিন্তা করলেই আমরা অনুধাবন করতে পারি।

অনুষ্ঠানে ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দ-এর ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন বক্তারা।  সব শেষে ফলচক্রের আয়োজন করা হয়।

ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম