চাঁদপুর : নদীতে রাবিশ ফেলে অংশবিশেষ ভরাট করে পণ্য ওঠানামার ঘাট নির্মাণের দায়ে চাঁদপুরে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ভরাট করা অংশ খনন করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) চাঁদপুর জেলার ১০ নম্বর চৌধুরীঘাট এলাকার কসাইখানা সংলগ্ন স্থানে পরিবেশ অধিদপ্তর, চাঁদপুর জেলা কার্যালয় ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬(ঙ) ধারা লঙ্ঘন করে নদীতে রাবিশ ও বর্জ্য ফেলে নদীর একটি অংশ ভরাট করা হয়। পরে ওই ভরাট অংশকে পণ্য ওঠানামার ঘাট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় কাজী মোবারক করীম মেহেদী নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ঘটনাস্থলেই জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।
একই সঙ্গে নদীর ভরাটকৃত অংশ খনন করে দ্রুত নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে অভিযুক্তকে সাত দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানে প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক শরমিতা আহমেদ লিয়া। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চাঁদপুর জেলা পুলিশের একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে।
পরিবেশ অধিদপ্তর চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, নদী ও পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষায় আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ সুরক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তরের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।
ফম/এমএমএ/



