প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও আমাদের সামনে হাজির হয়েছে ত্যাগ কিংবা বিসর্জনের উৎসব ‘পবিত্র ঈদুল আজহা’। সারাদেশের মানুষ এই দিন পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় ও পশু কোরবানির মাধমে উৎসবের নিয়ম পালন করবেন। কিন্তু এই ঈদকে ঘিরে জন্ম নেয় নানা ঘটনা। ইতোমধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যেও ঈদ কাটবে আনন্দে এমন প্রত্যাশা।
দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা চাঁদপুরেও এবার ঈদের আমেজ বইছে। ইতোমধ্যে জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন হচ্ছে।
সরকারিভাবে ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সারাদেশে একযোগে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ ও পশু কোরবানি করা হবে। সে আলোকে যাদের ওপর কোরবানি করা ফরজ, তাদের অনেকেই কোরবানির পশু ক্রয় করে প্রস্তুত করে রেখেছেন।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চাঁদপুরে নিজ গ্রামে পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করার জন্য অনেকেই সড়ক, রেল ও নৌ পথে বাড়িতে এসে পৌঁছেছেন। যাত্রীদের নিরাপত্তা ও নিরাপদ ভ্রমনের জন্য চাঁদপুরের জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, নৌ পুলিশ, রেল পুলিশ, কোস্টগার্ড, স্কাউট ও ক্লিন চাঁদপুর কাজ করছে।
ঈদের দিন সকাল ৭টা থেকে চাঁদপুর পৌরসভার ব্যবস্থাপনা এবং ঈদ জামায়াত কমিটির আয়োজনে ঈদের নামাজ আদায় করা হবে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেক স্থানে মাঠে নামাজ আদায় করতে না পারলে মসজিদ কেন্দ্রিক ঈদের নামাজ আদায় করা ছাড়া বিকল্প নেই।
ঈদকে আনন্দময় ও উৎসব মুখর করতে গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়। সব শ্রেণি পেশার মানুষ এক কাতারে এসে বিসর্জনের এই শিক্ষায় আলোকিত হবে এমনটি প্রত্যাশা চাঁদপুরবাসীর।
ফম/এমএমএ/



