চাঁদপুর: চাঁদপুরের মতলব দক্ষিনে দুই সন্তানের জননী সুমি আক্তার (২৬) আত্মহত্যা নয় পরিবারের দাবি তাকে হত্যা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে লাশের ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিকাপুর নিহতের শ্বশুর বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সুমি আক্তার মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিকাপুর মোহাম্মদ মতিন গাজীর স্ত্রী। দাম্পত্য জীবনে তাদের তাবাসসুম ও আলিফা নামের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
নিহতের মা রোকেয়া বেগম জানান, ৬ বছর পূর্বে মতিনের সাথে সুমির পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের টাকার জন্য সুমিকে বিভিন্ন সময় মারধর করতো মতিন। কয়েকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক এবং মামলাও হয়। বিয়ের কথা গোপন করে একটি বিয়েও করে মতিন। এসব নিয়েও প্রায় ঝগড়া বিবাদ হতো। সুমিকে বিয়ের পরেও সে আবার বিয়ে করে। ঘটনার পর পরই স্বামী মতিন ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে।
নিহতের মামা হান্নান জানান, বিয়ের পর থেকেই আমার ভাগ্নিকে শশুর, শাশুড়ি ও জামাই সকলেই নির্যাতন করে। বিয়ের পরে এদের বিরুদ্ধে মামলা করা হলে পরবর্তীতে পারিবারিকভাবে তা মীমাংসা করা হয়। মামলা মীমাংসার পরেও তারা আবার পুনরায় ভাগ্নির ওপর নির্যাতন করে। ভাগ্নীর শ্বশুরবাড়ি থেকে জানানো হয় সে বিষ পানে নাকি আত্মহত্যা করেছে। ভাগ্নির লাশ দেখে মনে হয় না সে আত্মহত্যা করেছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা আইনের কাছে এর বিচার চাই।
চাঁদপুর মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ জানান, লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফম/এমএমএ/



