অবৈধ স্থাপনা বহাল রেখেই কচুয়ায় খাল খনন চলছে !

কচুয়া (চাঁদপুর):  শুষ্ক মৌসুমে কৃষি আবাদ সচল ও খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার খাল খনন কর্মসূচির মত জনবান্ধব কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় সাড়ে চার কিলোমিটার (সাড়ে চার হাজার মিটার বা ৪.৫ কিলোমিটার অথবা ১৪,৭৬৪ ফুট) কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু খালের উপর অবৈধ স্থাপনা বহাল রেখেই চলছে খাল সংস্কার বা খননকাজ ।এতে করে সরকারের নেয়া জনবান্ধব এ কর্মসূচির আসল উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে ।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভাধীন আনোয়ারা মেমোরিয়াল মেডিকেল সেন্টার সংলগ্ন প্রবাহমান খালে এ সংস্কার কাজ লক্ষ্য করে গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে -কচুয়া পৌরসভাধীন আনোয়ারা মেমোরিয়াল মেডিকেল সেন্টার ও তালুকদার বাড়ির সামনের এলাকায় খাল খনন কর্মসূচি চলছে।যেখানে খালের দু’ পাড়ের গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা বহাল রেখেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খাল খনন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। খালে প্রচুর পানি থাকায় মাটির পরিবর্তে উঠে আসছে পলিথিন ও দীর্ঘদিনের জমে থাকা নর্দমা। এতে করে সংস্কার কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যেখানে সুস্ক মৌসুমে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিলে সংস্কার কার্যক্রমের শতভাগ সফলতা পেতো ;সেখানে নাম সর্বস্ব এ সংস্কার কাজে আদৌ সরকারের প্রকৃত উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হবে কিনা তা নিয়ে স্থানীয় জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে।এর ফলে টেকসই সংস্কার প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, খালের দু’পাড়ে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনা অপসারণ ছাড়া খাল খননের সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে না। এ খালের প্রস্থ বা একটি সীমানা নির্ধারণী থাকা ও জরুরী। এ ঘটনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানতে চাইলে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল মুঠোফোনে জানিয়েছেন- খাল সংস্কার কাজটি এ অর্থবছরের নয়।এটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন কোন প্রকল্প।এ ধরনের অভিযোগ তিনি প্রথমই শুনেছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
এদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মো: আব্দুল আলীম লিটন এর বক্তব্য নেয়ার জন্য একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ফম/এমএমএ/

উপজেলা করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম