তরপুরচন্ডীর কাণ্ডারী হতে চান সাইফ মাহমুদ কবির

কারাগার থেকে রাজপথে গড়ে ওঠা নেতৃত্ব

চাঁদপুর: রাজনীতি যখন স্রেফ ক্ষমতার সমীকরণ না হয়ে আপসহীন সংগ্রাম ও জনসেবার ব্রত হয়ে ওঠে-ঠিক তখনই উঠে আসে এমন কিছু নাম, যাঁদের জীবনের প্রতিটি অধ্যায় লেখা হয় রাজপথের ধূলিবালি আর চরম সহনশীলতার গল্পে।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৭নং তরপুরচন্ডী ইউনিয়নের এমনই এক আস্থার মুখ-বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) লড়াকু সৈনিক সাইফ মাহমুদ কবির। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নের জোরালো দাবিদার।

​বিগত সরকারের আমলে যখন গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল, তখন কোনো প্রলোভন বা ভয়ভীতি সাইফ মাহমুদ কবিরকে রাজপথ থেকে সরাতে পারেনি। অটল থাকার মাশুল হিসেবে ২০১৭ সালে তাঁকেও পার করতে হয়েছে দীর্ঘ কারাজীবন। বারবার অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন সইতে হয়েছে, ভোটের সময়গুলোতে পরিবার নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমানোর ন্যূনতম সুযোগটুকুও পাননি। তবুও শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হননি।গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার আর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বিএনপির আদর্শ লালন করে কাজ করতে চান সাইফ মাহমুদ কবির।

​বর্তমানে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা আজ ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে এক নির্ভরযোগ্য আশ্রয়। দীর্ঘদিনের ত্যাগের ইতিহাস, রাজপথের লড়াই এবং তরপুরচন্ডীর সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসাই তাঁকে জনপ্রতিনিধি হয়ে সেবা করার মূল অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

​এলাকার মানুষের মতে, সাইফ মাহমুদ কবির সংকট, সংগ্রামে গড়ে ওঠা এক পরীক্ষিত সন্তান। অবহেলিত তরপুরচন্ডী ইউনিয়নকে জঞ্জালমুক্ত করে একটি ইনসাফভিত্তিক ও আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর মূল অঙ্গীকার।

​নিজের রাজনৈতিক ভাবনা প্রসঙ্গে সাইফ মাহমুদ কবির বলেন, রাজনীতি আমার কাছে পদের মোহ নয়, নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক পবিত্র আমানত। অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি বলেই কারাবরণ ও নির্যাতন সইতে হয়েছে। দল যদি আমার রাজপথের ভূমিকাকে মূল্যায়ন করে সুযোগ দেয়, তবে সাধারণ মানুষের হারানো অধিকার ও নাগরিক সেবা ফিরিয়ে দিতে আমি সর্বাত্মক কাজ করব।

তিনি আরোও বলেন, আমাদের সকলের রাজনৈতিক অভিভাবক,দুর্দিনের আন্দোলন সংগ্রামে কর্মীদের আশ্রয়স্থল, চাঁদপুর ৩ আসনের এমপি শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক ভাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যে সিদ্ধান্ত দিবেন, আমি তা সাদরে গ্রহন করবো।মানিক ভাইয়ের সিধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করবো।তবে আমি বিশ্বাস করি আমার বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের ভূমিকা মানিক ভাই বিবেচনা করবেন।

​তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা-এই ত্যাগের মূল্যায়নে সাইফ মাহমুদ কবিরের হাত ধরেই ৭নং তরপুরচন্ডী ইউনিয়নে শুরু হবে শান্তি ও সমৃদ্ধির নতুন পথচলা।

ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম