চাঁদপুরের ফুলের দোকানগুলোতে উপচে পড়া ভীড়

চাঁদপুর: ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা এক মিনিটে স্থির। শুরু হবে রাতের প্রথম প্রহর। একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে উদযাপনে সবাই ছুটবেন শহীদ মিনারে। শিশু-কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নানা বয়সী মানুষের হাতে শোভা পাবে গুচ্ছ গুচ্ছ ফুল। দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবেন সবাই। বীর সেনাদের শ্রদ্ধা জানাতে ফুলে ফুলে ভরে যাবে প্রতিটি শহীদ মিনার।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা উপলক্ষে চাঁদপুরের বিভিন্ন ফুলের দোকানগুলোতে বিক্রির ধুম পড়তে দেখা গেছে। ফুল বিক্রেতাদের কাছে সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ব্যক্তির অগ্রিম অর্ডার রয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়, বড় আকারের প্রত্যেকটি ফুলের তোড়া ১০০০-৩০০০ টাকা, মাঝারি আকারের ৮০০-৯০০ টাকা ও ছোট আকারের ৫০০-৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে খুচরা ফুল বিভিন্ন দামে বিক্রয় করা হলেও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।

বিভিন্ন বয়সের ক্রেতারাও ফুল কেনার দৌঁড়ে পিছিয়ে নেই। তারাও ফুল কিনতে ছুটছেন দোকানে দোকানে। বেছে বেছে কিনছেন পছন্দের সেরা ফুল। সবমিলিয়ে দোকানে দোকানে চলছে ফুল বিক্রির উৎসব। গাঁধা, গোলাপ, রজনীগন্ধা অন্যতম। এসব ফুল আকর্ষণীয়ভাবে বেঁধে শ্রদ্ধাঞ্জলীর ফ্রেমে আটকে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন আকারের মালা তৈরি করা হচ্ছে। ব্যস্ত সময় পার করছেন ফুলের দোকানীরা।

ফুল ব্যবসায়ী খোকনসহ কয়েকজন জানান, একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা কয়েক সপ্তাহ আগ থেকেই ফুল সংগ্রহ শুরু করেন। এক্ষেত্রে স্থানীয় বাজারকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। তবে চাহিদা বুঝে দূর-দূরান্তের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহর থেকে বাহারি রকমের ফুল আমদানি করা হয়।

তবে বিশেষ দিবসগুলোয় এ মার্কেটে পর্যাপ্ত ফুল বিক্রি হয় বলেও জানান ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, প্রত্যেক বছর একুশে ফেব্রুয়ারি দিবসসহ গুরুত্বপূর্ণ দিবসে প্রচুর ফুল বিক্রি হয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক বিভিন্ন সংগঠনসহ ব্যক্তি পর্যায় থেকে ফুল নেওয়ার জন্য আগাম অর্ডার এসেছে।ৎ

ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম