চাঁদপুর: চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী দলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। এই আসনে শক্ত কোন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায় খুব সহজেই বিজয়ী হওয়ার পথে এই প্রার্থী। তার সাথে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. সেলিম প্রধান ও জাসদের সাইফুল ইসলাম।
এই আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ছিলেন এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন। তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর ১% ভোটার তথ্য গড়মিল হওয়ায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এরপর তিনি নির্বাচন কমিশন ও উচ্চ আদালতে আপিল করেও মনোনয়ন ফিরে পাননি। যার ফলে ড. সেলিম মাহমুদের নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমে আসে।
এছাড়াও এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছিলেন সাবেক এমপি ডাঃ এএসএম শহীদ উল্লাহ। তিনি সর্বশেষ ১৭ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। কি কারণে প্রত্যাহার করলেন সে বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমে কোন মন্তব্য করেননি।
এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। তিনি এবারের নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাননি। তার অনুসারি অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম হোসেন এর প্রচারণায় থাকলেও সর্বশেষ নৌকার প্রার্থীর সাথে এসে যুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে নৌকার পক্ষে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতারা সর্বশেষ প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বরে জানাগেছে, এই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. সেলিম প্রধান চেয়ার ও জাসদের সাইফুল ইসলাম মশাল নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের শক্ত অবস্থান নেই। প্রচার প্রচারণা থাকলেও তারা সাধারণ ভোটারের কাছে পূর্ব থেকে খুবই কম পরিচিত। নির্বাচন কেন্দ্রিক দল থেকে মনোনীত হয়েছেন এই দুই প্রার্থী।
নির্বাচন সম্পর্কে ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, আমাদের এই নির্বাচন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার নির্বাচন। এই নির্বাচন বাংলাদেশের অর্থনীতির রক্ষার নির্বাচন। আমাদের অর্থনীতি রক্ষা পেলে আমরা এই দেশের সকল মানুষ ভালো থাকবো। বিএনপি জামায়াত বিদেশীদের কাছে বাংলাদেশ বিক্রি করে দিতে চায়। দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, দেশকে ধ্বংস করতে চায়। আগামী ৭ তারিখ প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে হাজার হাজার মানুষ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে জয়ী করবে। আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন প্রতিনিধি। এই নৌকার মালিক আমি নই, এই নৌকার মালিক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনা।
ফম/এমএমএ/



