
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ৩ টায় সমঝোতার আশ্বাস পেয়ে তালা খুলে দেয় শিক্ষার্থীরা।
এবিষয়ে কলেজ শিক্ষার্থী সামছুল আরেফিন মাহিন জানায়, টেস্ট পরীক্ষায় আমরা ৩৬০ শিক্ষার্থী অংশ নেই। এতে ৮৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। তারমধ্যে থেকে মোট ২৬৭ জন শিক্ষার্থীকে ফরম পূরণ করা হয়। এতে সভাপতি ও বিভিন্ন সুপারিশক্রমে যারা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তাদেরকেও ফরম পূরণ করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা আরো জানায়, ৬ থেকে ৭ বিষয়ে অকৃতকার্যদেরকেও ফরম পূরণ করা হয়েছে। কিন্তু দুই থেকে তিন বিষয়ে অকৃতকার্যদের ফরম পূরণে সুযোগ দেয়া হয়নি।
শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের টেস্ট পরীক্ষার নম্বর পত্র আমাদের দেখানো হয়নি। আমরা সভাপতির পদত্যাগ দাবি করছি।
শিক্ষার্থী মেহরাজুল ইসলামের মা বলেন, আমার ছেলে তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ ফরম পূরণ করার কথা বলে আমার থেকে টাকা নিয়েছেন। কিন্তু আমার ছেলেকে ফরম পূরণ করানো হয়নি।
কলেজের ফরম পূরণের দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক নূরুল হকের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বরাত দিয়ে কলেজ ত্যাগ করেন।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেনকে কলেজে না পেয়ে বেশ কয়েকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হাসান আহমেদ টিপু বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি সঠিক নয়। ৩১ মার্চ ফরম পূরণের সময় শেষ হয়েছে। এখন তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এমন করছে। আমার সুপারিশে একজন শিক্ষার্থীকেও ফরম পূরণ করা হয়নি। প্রমাণ দিতে পারলে পদত্যাগ করবো।



