
—- যুবক অনার্য
তবে তাই হোক- বর্ষাতি হাতে ছুটে আসুক
দামাল ছেলেরা ও গাঁয়ের
মাঠ ছেনে হারিয়ে যাক অন্য কোনো গ্রামে
সবিতা এসেই বোলুক ‘ যাই’
চিরন্তন প্রেমের আখ্যা নিয়ে কাঠ কাটতে গিয়ে
পুনরায় প্রতারিত হোক নবকুমার
মারী ও মড়ক মাথায় নিয়ে আমরা অবচেতন
জংশনে গেয়ে উঠবো – ” মরণের কোলে বইসা আমি কৃষ্ণলীলা দেখি।”
গত কয়েক দশকে বাংলা কবিতায়
নতুন কোনো খেলারাম খেলতে পেরেছে কিনা
এই নিয়ে তোলপাড় হোক চায়ের পেয়ালা
কত জল উচাটন আনমন সারাক্ষণ – এরকম সুরে পাগল বংশীবাদক এক শুনিয়ে যাক
কীভাবে চিনে নিতে হয় রাধাচূড়ার সংগে কৃষ্ণচূড়ার
বৈমাত্রেয় রঙ
মুকিম গাজী এ বছর আসুক তবে আমাদের গাঁ’য়
ছড়াতে সংস্কারহীন মতবাদ
আর যথারীতি গ্রাম্য গ্রাম্য অধিক গ্রাম্য মোড়ল
মেরে তেড়ে তাড়িয়ে দিক তাকে
শুধু জনৈক অবিনাশ এক বায়াত নিয়ে তার
চলে যাক অন্ধকার মাতৃসদন থেকে
আলোকিত শ্মশানের দিকে
আমাদের মধ্যে কেউ কি আর মনে রেখেছি যে
একদা আমার বন্ধু ইবন লিখেছিলেন –
” বরষা,শাড়ি খোল,তুই আমার বউ”!
আমি জানি এ কথা আজও মনে রেখেছেন জাহিদ ভাই
যে জাহিদ আহমেদ জনক ” তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা”র
প্রিয় জাহিদ ভাই,আপনি ছবির হাটে কবে আসবেন?
আমার কাছে এরকম জমে আছে প্রশ্ন ১০০০
যেখানে প্রশ্ন ও উত্তর ঘেটে দেখা যাবে
জাহিদ ভাই ছবির হাটে আসেন এটা কোনো
সাধারণ ঘটনা নয় কারণ ছবির হাটে আসা মানে রেসকোর্স ময়দানে আসা
রেসকোর্স মানে ৭ মার্চ মানে বঙ্গবন্ধু
আর বঙ্গবন্ধু মানে স্বাধীনতা মানে বাংলাদেশ
এবং সেখানে দেখা যাবে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও আমি থেকে গেলাম পরাধীন
আমি হেঁটে যেতে পারি নি রেসকোর্স ৭ মার্চ
পারি নি হেঁটে যেতে মুকিম গাজীর সংগে পেরিয়ে
মাতৃসদন
বেদনার বাঁশি হাতে আমি তুলতে পারি নি
বিষাদের সুর!


