জনদুর্ভোগ নিরসনে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন

চাঁদপুর:  জনদুর্ভোগ নিরসনে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের পাইকদী এলাকায় সম্প্রতি কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে দুটি প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হলেও একটি প্রকল্পের কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাইকদী এলাকার মুসল্লীদের নামাজ আদায় করতে ২ লাখ টাকা বরাদ্দে মিজি বাড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদের অজুখানা সংস্কার ও উক্ত এলাকার কবরস্থানে মাটি ভরাট এবং ৫নং ওয়ার্ডের পাইকদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরনো ভবন ভেঙ্গে ফেলার পর কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা করার জন্য ৭ মেট্রিকটন গম বরাদ্দে বালি দিয়ে মাঠ সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা বরাদ্দে পাইকদী ঈদগাহ মাঠ সংস্কার প্রকল্পের কাজ এখনো চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,  প্রকল্পের দুটি কাজ নির্ধারিত নকশা ও নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে এবং ঈদগাহ সংস্কারের কাজ এখনো চলমান রয়েছে।
মিজি বাড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদের মুসল্লি টিপু সুলতান মিজি জানান, মসজিদের অজুখানা ও কবরস্থান এর মাটি ভরাটের কাজ স্বচ্ছভাবেই হয়েছে। এলাকাবাসী এখন এটি নিয়মিত ব্যবহার করছে। কাজ না করে অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এছাড়াও স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মসজিদের অজু খানার সংস্কার কাজ হওয়ায় মুসল্লিরা নামাজ পড়ার জন্য এখন সুন্দরভাবে অজু করতে পারছেন।
পাইকদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তফা চৌধুরী বলেন, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটি ভেঙে ফেলায় মাঠে বড় কূপের সৃষ্টি হয়েছিল। মাঠ ভরাটের কাজটি শতভাগ সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখন স্বাচ্ছন্দ্যে খেলাধুলা করতে পারছে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ কুদ্দুছ আখন্দ রোকন জানান, অনিয়মের দাবি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আরও যে প্রকল্প নিয়ে অভিযোগ উঠেছে সেগুলো মূলত অনেক আগের। কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে চেষ্টা করছে।
ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম