চাঁদপুরে ট্রেনে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চাঁদপুর: চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের মেইল ট্রেন সাগরিকায় এক্সপ্রেস ইটপাটকেল নিক্ষেপে ট্রেনের জানালার গ্লাস ভাংচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অল্পের জন্য ট্রেনে থাকা যাত্রীরা রক্ষা পেয়েছে।

মো: জাকির হোসেন (২২) নামে ঘটনায় জড়িত একজনকে আটক করে বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতে পাঠান পুলিশ। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। সে রেলওয়ে শ্রমিক কলোনীতে বসবাসরত মো: ছলেমান গাজীর ছেলে।

চাঁদপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০- ১২জনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার(২৪ নভেম্বর) রেলওয়ে থানায় জননিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার(২৩ নভেম্বর) দুপুর অনুমান আড়াইটায় রেলপথের বড় ষ্টেশন নামক স্থানে।

একটি সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় চাঁদপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ ১জন গাঁজা সেবনকারী ও বিক্রেতাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের আটকে রেলওয়ে পুলিশ ব্যাপক অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে,শহরের বড় স্টেশন রেলওয়ে শ্রমিক কলোনী ও যমুনারোড এলাকার একদল গাঁজা সেবনকারী ও বিক্রেতা রেলওয়ে এলাকায় ভাসমান ভাবে দীর্ঘদিন যাবত গাঁজা বিক্রি ও সেবন করে যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে,তারা ট্রেনে ভ্রমনকারী কিছু অসাধু যাত্রীদের নিকট মাদক বিক্রি করে মোটা অংকের অর্থহাতিয়ে নিয়ে নিজেরা লাভবান হচ্ছেন।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) রেলওয়ে এলাকায় বসবাসরত টিক্কার ছেলে মো: রাসেলসহ একদল মাদক সেবনকারী ও বিক্রেতারা মাদক সেবন করে উম্মাদ হয়ে পড়ে। এ সময় তারা নিজেদের ভারসাম্য রক্ষা করতে নাপেরে চলন্ত চাঁদপুর-চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী মেইল ট্রেন সাগরিকা এক্সপ্রেস রেলপথের ব্যবহৃত পাথর নিয়ে ট্রেনে বেপরোয়া ভাবে নিক্ষেপ করতে থাকে। এতে করে ট্রেনের জানালার ব্যাপক গ্লাস ভাংচুর হয়ে রেলওয়ের ক্ষতিসাধিত হয়েছে।

ঘটনার পরপর অভিযুক্তরা পালিয়ে যায় বলে এলাকাবাসী জানান। এ ঘটনার আলোকে চাঁদপুর রেলওয়ে থানার পুলিশ ব্যাপক তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার শহরের বড় স্টেশন এলাকার চিহ্নিত ব্যবসায়ীর ছেলেকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।

চাঁদপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মুরাদ উল্লাহ্ বাহার জানান, বুধবার সাগরিকা ট্রেনে ইটপাটকের নিক্ষেপ ও ট্রেনে গ্লাস ভাংচুরের ঘটনায় বৃহস্পতিবার একজনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে পুলিশ বাদী হয়ে জন নিরাপত্তা আইনে১০-১২জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি মামরা দায়ের করেছে। অন্যান্য অভিযুক্তদের আটকের চেস্টা অব্যাহত আছে।
ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম