
কচুয়া (চাঁদপুর): চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা রোগী কল্যাণ সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০ থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে উৎসব মুখোর পরিবেশে এবারেই প্রথম ব্যালট ভোটের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদের ৬ পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
পদাধিকার বলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সভাপতি ও সমাজ সেবা কর্মকর্তা সাধারণ সম্পাদক। বাকি ৬টি পদে উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে ব্যালটের মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়।
নির্বাচনে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে ৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। সাব্বির হোসেন রিয়াদ ৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি শাহ ইমরান খান পেয়েছেন ৬৬ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তন্মধ্যে ওমর ফারুক সাইম ৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ফারুক হোসেন ৫৩ পেয়েছেন ভোট। সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তন্মধ্যে সাংবাদিক মো. আবু সাঈদ ১০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আশরাফুল আলম রিজন পেয়েছেন ৮৯ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ সম্পাদক পদে ৩জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তন্মধ্যে এ কে এম জাহাঙ্গীর হোসেন ৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ফয়সাল হোসেন পেয়েছেন ৬৭ ভোট।
প্রচার সম্পাদক পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তন্মধ্যে ইমাম হাসান সর্বোচ্চ ১৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আব্দুল রহিম পেয়েছেন ৫৬ ভোট। নির্বাহী সদস্য (পুরুষ) পদে ২জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তন্মধ্যে ইমাম হোসেন ১১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি গোলাম কিবরিয়া ৮৯ ভোট পেয়েছেন। নির্বাহী সদস্য (মহিলা) পদে মোসাম্মৎ ইয়াসমিন আক্তার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
এই নির্বাচনে ২৩২ জন ভোটারের মধ্যে ১৯৪ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। এর মধ্যে ৩ ভোট বাতিল হয়। নির্বাচন ঘিরে কয়েকদিন ধরে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট চেয়ে প্রার্থীদের মন জয় করেন। তার ফল স্বরূপ বিপুল ভোটার সংখ্যাক উপস্থিতি। সকাল থেকে ভোট কেন্দ্রের অঙ্গীনায় প্রার্থীদের ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে যায় এই যেন এক অন্যরকম পরিবেশে লক্ষ্য করাগছে।
ফম/এমএমএ/



