কচুয়া (চাঁদপুর): চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ১০ নং গোহট উত্তর ইউনিয়নের নুরপুর পূর্বপাড়া ড.আনম এহছানুল হক মিলন কারিগরি দাখিল মাদ্রাসার সংলগ্ন রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে অনুপোযোগী ছিল। এ রাস্তায় চলাচলরত সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাগবে এগিয়ে এলেন অত্র ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বিএনপি নেতা মোঃ তাবারক উল্লাহ। নিজ উদ্যোগে রাস্তাটি
সোমবার (১৩ জুলাই) দিনব্যাপী ইট, সুরকি ও সাদা বালু ফেলে সাধারণ মানুষের চলাচলে উপযোগী করে দেওয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে ছিল। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেখানে পানি জমে ডোবার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলেও চরম দুর্ভোগ দেখা দিত। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী ও বয়স্কদের যাতায়াতে ভোগান্তি ছিল সবচেয়ে বেশি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও দীর্ঘদিন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ অবস্থায় এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী তাবারক উল্লাহ নিজ অর্থায়নে স্থানীয় লোকজন নিয়ে ইট বালু দিয়ে চলাচল করার মতো রাস্তা সংস্কারে দেয়।
উক্ত রাস্তায় চলাচলরত কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান ,আমরা দীর্ঘদিন যাবত এ রাস্তায় চলাচল করতে বহু কষ্ট হতো কোন ধরনের যানবাহন আসতো না একটু বৃষ্টি হলেই একেবারে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়তো। নুরপুর ড.আনম এহছানুল হক মিলন কারিগরি দাখিল মাদ্রাসার ও নুরপুর ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বৃষ্টি হলে হাটুর সমান কাদাপানি হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি কারনে চলাচল করতে পারত না। তাই আমাদের ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের কৃতি সন্তান তাবারক উল্লাহ নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে রাস্তাটি মেরামত করে দেয়া হয়েছে। আমরা এই রাস্তায় চলাচলত সাধারণ মানুষ আমাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী তাবারক উল্লাহ কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা তার জন্য দোয়া করি। এ রাস্তাটি যদি সরকারি বরাদ্দ দিয়ে পরিপূর্ণভাবে পাকা করে দেয় তাহলে এখানকার স্থানীয় লোকজন অনেকটাই স্বস্তি ফিরে আসবে।
সমাজসেবক ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী তাবারক উল্লাহ বলেন, আমি কোনো প্রচার বা প্রশংসার জন্য এ কাজ করিনি। প্রতিদিন ছোট ছোট শিক্ষার্থী, অসুস্থ মানুষ ও সাধারণ পথচারীদের এই রাস্তায় কষ্ট করতে দেখতাম। বিবেকের তাড়না থেকেই নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছি। শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সমাজের সামর্থ্যবানদেরও নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসা উচিত।
রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই এ উদ্যোগের প্রশংসা করছেন। তাদের মতে, সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা নিজ নিজ এলাকার জনদুর্ভোগ নিরসনে এভাবে এগিয়ে এলে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
ফম/এমএমএ/



