অপরাধ ঠেকাতে হলে পুলিশ নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষেরই নিতে হবে দায়িত্ব

চাঁদপুর:  চাঁদপুর মডেল থানার হলরুম যেন হয়ে উঠেছিল পরিবর্তনের মঞ্চ। যেখানে ধরা পড়েছে না বলা আশঙ্কা, ও জেগে উঠেছে প্রতিরোধের নতুন চেতনা। চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ-তাঁরা এসেছিলেন মাদক, ইভটিজিং আর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একসাথে দাঁড়াতে।
রোববার (২৯ জুন) সেই হলে ঘনিয়ে এসেছিল এক গভীর প্রতিজ্ঞার পরিবেশ। চেয়ারগুলো ভরে উঠেছিল চিন্তিত চোখে, উদ্বিগ্ন মুখে।
সভাপতিত্বে ছিলেন চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ বাহার মিঞা। আর প্রধান অতিথির আসনে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হান্নান রনি।
তাঁর কণ্ঠে ছিল দৃঢ়তা। তিনি বলেননি শুধু, বোঝাতে চেয়েছেন-এই এলাকাকে যদি নিরাপদ রাখতে হয়, তবে সবাইকে হতে হবে সচেতন। তাঁর কথায় উঠে আসে, কমিউনিটি পুলিশিংকে সক্রিয় করতে হবে। অপরাধ ঠেকাতে হলে পুলিশ নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষেরই নিতে হবে দায়িত্ব।
 সভায় ছিলেন আরও সহকারি পুলিশ সুপার শারমিন রহমান, ওসি তদন্ত মিন্টু দত্ত, আর সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস। তাঁদের উপস্থিতি যেন শক্তি জুগিয়েছিল অন্যদের।
সেই ভরা হলে শুধু পুলিশের কণ্ঠ নয়, শোনা গেছে রাজনৈতিক, সামাজিক নেতাদের কণ্ঠও।
চান্দ্রা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তালহা ফারুকী সঞ্চয়, যুবদলের সভাপতি খোরশেদ আলম গাজী, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন গাজী, সাবেক সভাপতি ইউসুফ গাজী—তাঁরা সবাই মিলে জানিয়ে দেন, এই সমাজে আর অপরাধকে ঠাঁই দেওয়া যাবে না।
সঙ্গে ছিলেন জামায়াত সভাপতি ইকবাল হোসেন ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস মিন্টু। আর ছিলেন শেখ ফরিদ আহমেদ রুবেল, যাঁর চোখে দেখা গেছে তরুণদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অঙ্গীকার।
এই ওপেন হাউজ ডে শুধু একটা সভা ছিল না-এ ছিল যেন অন্ধকার থেকে আলোতে ফেরার একটা ডাক। এমন দিনগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়-অপরাধ যতই ছায়া ফেলুক, আলোর মানুষগুলোই শেষ কথা বলে।
ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম