
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টার দিকে যমুনা রোড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ইয়াছিন ওই এলাকার মো. ইলিয়াছ মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত কিশোর মুসা একই এলাকার প্রধানিয়া বাড়ির সাদেক প্রধানিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, সকালে এলাকার একটি জামগাছ থেকে জাম পাড়াকে কেন্দ্র করে মুসা প্রধানিয়া ও একই এলাকার শাহজাহান মালের ছেলে মো. মেহেদী হাসান এর সাথে বাকবিতন্ডা হয় এবং মেহেদীকে মুসা মারধর করে। ওই সময় ইয়াছিন এগিয়ে এসে মারার কারণ জানতে চাইলে তাকে মুসার হাতে থাকা বাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করে। ঘটনাস্থলে ইয়াছিন লুটিয়ে পড়লে মুসা আরো কয়েকটি আঘাত করে। পরে লোকজন তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় নেয়ার পথে দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
মেহেদী হাসানের মা ইনুন নেছা বলেন, মূলত আমার ছেলের সাথে মুসার বিবাদ হয়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে ইয়াছিন মারধরের শিকার হয়। তার আরেক ভাই পানিতে ডুমে মারা যায়। খুবই নিরীহ পরিবারের ছেলে সে। ইয়াছিনের মৃত্যুর পরে তাকে এ্যাম্বুলেন্স করে বাড়িতে আনা হয়। বিকেলে পুলিশ এসে লাশ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। মূলত জামপাড়াকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা হয়। জড়িত সবাই কিশোর বয়সের। ইয়াছিনের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



