
চাঁদপুর : ঈদুল আজহার চার দিন পরেও রাজধানী ছেড়ে লঞ্চযোগে বাড়ি ফিরছে মানুষ। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁদপুর লঞ্চঘাটে সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি যাত্রীবাহী লঞ্চে এমন চিত্র দেখাগেছে।
সোমবার (১ জুন) দুপুর ১২টার দিকে লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখাগেছে কর্মমূখী মানুষ চাঁদপুর থেকে রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন। অনেক যাত্রীর সাথে রয়েছে পরিবারের সদস্যরা। লঞ্চ ভ্রমণ আরাম দায়ক হওয়ায় চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও শরীয়তপুর জেলার অনেক যাত্রী এই রুটে চলাচল করে।
ঢাকা থেকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চাঁদপুর ঘাটে এসে পৌঁছায় এমভি অগ্রদূত প্লাস। এই লঞ্চের যাত্রী ইসমাইল হোসেন বলেন, ব্যবসায়ীক কারণে ঈদে বাড়িতে আসতে পারেননি। যে কারণে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ৪দিন পরে আসতে হয়েছে। তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
বেলা সাড়ে ১১টায় সদরঘাটের উদ্দেশ্যে চাঁদপুর লঞ্চঘাট ত্যাগ করে এমভি রহমত এবং দুপুর ১২টায় ছেড়ে যায় এমভি রফ রফ-২। রহমত লঞ্চের যাত্রী মো. শোয়াইব বলেন, তিনি রাজধনীতে একটি কোম্পানীর বিক্রয় কর্মী। ঈদের আগে বাড়িতে এসেছেন। উৎসব শেষে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ফিরছেন। আসার সময় কোন ধরণের হয়রানি হয়নি।
এদিকে লঞ্চঘাট ঘুরে দেখাগেছে, বহু যাত্রী শরীয়তপুর যাওয়ার জন্য ঘাটে অপেক্ষায়। তবে চাঁদপুর-শরীয়তপুর রুটে লঞ্চ কম হওয়ায় অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে ট্রলারে যেতে হয়।
চাঁদপুর ঘাটের লঞ্চ মালিক প্রতিনিধি দ্বীন মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বলেন, এবারে যাত্রীদের জন্য ঘাটে ব্যবস্থাপনা ছিলো খুবই সুন্দর। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় ঘাটের যাত্রীরা দুর্ভোগ ছাড়াই বাড়িতে যেতে পেরেছে। এখন আবার ঢাকায় ফিরছে।
চাঁদপুর বিআইডাব্লিউটিএ নৌ ট্রাফিক বিভাগের উপপরিচালক বাবু লাল বৈদ্য বলেন, আমরা ঈদের পূর্বে যাত্রীদের জন্য দুটি পন্টুন থেকে দুটি গ্যাংওয়ে তৈরী করেছি। কিন্তু কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর আবারও মেরামত করে যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক করেছি। লঞ্চে কোন ধরণের হয়রানি ছাড়া যাত্রী সাধারণ চলাচল করছে। অনেক যাত্রী এখনো ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরছেন।
ফম/এমএমএ/



