ফরিদগঞ্জের সেকদি মাছ চুরির অভিযোগে থানায় মামলা

ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের সেকদি চরের মাছ চুরির অভিযোগে থানার অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ।

থানায় অভিযোগ ও সরজমিন পরিদর্শন করে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা মো. আজগর আলি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকায় এবছর জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ইজারা নিয়ে চরে মাছচাষ শুরু করলে, শুরু থেকেই নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে একই এলাকার বাসিন্ধা আবদুল জলিল ও  আব্বাস গংরা।

চরের ইজারাদার আজগর আলী জানান, তারা বিভিন্ন সময় কারেন্ট জাল দিয়ে চরের মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। আমরা বাধাঁ দিলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর উল্টো অতর্কিত হামলা করে। গত ৬ মার্চ দুপুরে প্রকাশ্যে চরে প্রবেশের গেট ভেঙ্গে আমাদের নৌকা ও মাছ নিয়ে যায়।

চরের জমির মালিক তাজুল ইসলাম (৬০)  ও সিরাজ গাজী জানান, আজগর আলী ৫লক্ষ ৬০ হাজার টাকায় এক বছরের জন্য চরটি ইজাড়া নিয়েছে। ইজাড়াদার কাকে সাথে রাখবে কিভাবে মাছ করবে এটা একান্তই তার ব্যাপার  অন্যরা এত বাধাঁ দিলে সেটা হবে বৈআইনি।

মো. জসিম, ইব্রাহিম ও আবদুল কাদির জানান, চরের পাশের বাসিন্ধা আবদুল জলিল নদীতে মাছ ধরার নাম করে চরের মাছ  চুরি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। অভিযুক্ত জলিল গাজীর সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। আব্বাসের  ছেলে আল আমিন জানান, চরের অপর পাড়ে আমাদের টয়লেট রয়েছে তারা গেট দিয়ে আমাদের টয়লেটে যাতায়াতের পথে প্রতিবন্ধকতা করার কারনে আমরা গেটটি খুলে দিয়েছি।  এবং তারা যে বলতেছে তাদের নৌকা চুরি করেছি, মূলত নৌকাটি চরের।

মাছ চুরির বিষয়ে আল আমিন জানান, চর ইজারা নেয়ার সময় বলেছিল আমাদের সাথে রাখবে, এখন আমাদের সাথে নারেখে অন্যদের সাথে রেখেছে।

এস আই রফিকুল ইসলাম বলেন, থানায় অভিযোগের ভিক্তিতে ঘটনাস্থলে এসে চুরি যাওয়া নৌকা ও গেট উদ্ধার করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

ফম/এমএমএ/

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম