
চাঁদপুর: চাঁদপুর সদরের চান্দ্রা ইউনিয়নে বাখরপুর এলাকায় ফসলি জমি থেকে মাটি উত্তোলন করে অন্যত্র বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত বাখরপুর দফাদারের দোকানের সামনে জাহাঙ্গীর ডাক্তারের বিরুদ্ধে ফসলি জমি কেটে ঝিল বানিয়ে সেখান থেকে অবৈধভাবে মিনি ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে অন্যত্র বিক্রি করছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাখরপুর এলাকার জাহাঙ্গীর ডাক্তার তার নিজ ফসলি জমি কেটে দীর্ঘদিন ধরে ঝীল বানিয়ে মাছের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রতি তিনি সেই ঝিল থেকে মিনি ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে এলাকার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে। বিষয়টি নিয়ে ঝিলের পার্শ্ববর্তী ফসলি জমির মালিকরা হুমকির মধ্যে রয়েছে। এনিয়ে তাদের ও এলাকাবাসীর মাঝে খোভ বিরাজ করছে।
এমনকি বিষয়টি কয়েকবার ঝিলের মালিক জাহাঙ্গীর ডাক্তারকে অবহিত করা হয় এই ঝিল থেকে মাটি কাটা বিরত রাখতে।
কারণ এই ঝিল থেকে মাটি উত্তোলনের কারণে ভবিষ্যতে তাদের ফসলি জমির পাড় ভেঙ্গে তার ঝিলের সাথে একাকার হয়ে যাবে।
ঝিলের মালিক জাহাঙ্গীর ডাক্তার বিষয়টি কোন কর্ণপাত না করেই তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে খোভ বিরাজ করছে, তারা চাচ্ছেন তাদের ফসলি জমি যেন বিনষ্ট না হয়।
এলাকাবাসী আরো জানায়, জাহাঙ্গীর ডাক্তার অধিক টাকা পাওয়ার আশায় বাখরপুর এলাকার মানুষের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে তাদের নিচু জমি ও পুকুর ভরাট করার জন্য ইতিমধ্যেই এদের কয়েক জনের সাথে চুক্তিবদ্ধহয়েছেন।এমনকি সরেজমিনী গিয়েও দেখা যায় তার এই ড্রেজার পাইপের একটি অংশ ওই এলাকারই দফাদার বাড়ির একটি পুকুরে লাগানো রয়েছে এর মধ্যেই মাটি ফেলানোর কাজ শুরু করা হবে।
ভুক্তভোগী পার্শ্ববর্তী ফসলি জমির মালিক ও এলাকাবাসীর দাবি এই অবৈধ মাটিকাটা বন্ধ করার জন্য প্রশাসন যেন সু-দৃষ্টি দেয়।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.এন জামিউল হিকমার সাথে আলাপকালে
তিনি জানান,আমরা বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে দেখি যদি এখানে সরকারের নিয়ম নীতির উপেক্ষা করা হয়েছে তাহলে অবশ্যই এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ফম/এমএমএ/



