চাঁদপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ের জিআইবিআরের বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন

চাঁদপুর: গর্ভামেন্ট ইন্সিপেক্টর অব বাংলাদেশ রেলওয়ে (জিআইবিআর) মো: ফরিদউদ্দিন আহমেদ বরেছেন,প্রতি বছরের ন্যায় বাংলাদেশ রেলওয়ের চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের ৫৪ কিলোমিটার রেলপথ, এ পথের ব্রীজ,কালভাট,স্টেশন ভবনসহ সকল স্থাপনার ত্রুটি গুলো দেখতে বাৎরিক পরিদর্শন করার জন্য চাঁদপুর-লাকসাম এলাকাটি পরিদর্শন করতে এসেছি।

বৃহস্পতিবার সকালে লাকসাম থেকে পরিদর্শনর করে যথাসম্বব সকল কিছু পরিদর্শন করতে করতে চাঁদপুর এলাকায় এসে তা’পরিদর্শন শেষ করেছি। তিনি বলেন এ পরিদর্শন রেলওয়ের সকল স্থানে বছর ব্যাপী কার্যক্রম চলে। তারই অংশ হিসেবে চাঁদপুর রেলওয়ের সকল বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত করা হলো। তিনি আরো বলেন,আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে,রেলপথে চলাচলকারী যাত্রী সেবা,যাত্রী নিরাপত্তা,যাত্রীসেবার প্রয়োজনে নিরাপদে ও আরামদায়ক ভাবে যাত্রীদের ভমন করতে পারে তা’নিশ্চিত করা আমাদের মুল কাজ।

বৃহস্পতিবার(২৩ জানুয়ারী) সকাল ৯টা ৩০মিনিটে লাকসাম থেকে গর্ভামেন্ট ইন্সিপেক্টর অব বাংলাদেশ রেলওয়ে(জিআইবিআর) মো: ফরিদউদ্দিন আহমেদ পরিদর্শন যাত্রা শুরু করে পতিমধ্যে এ পথের ১১টি স্টেশন ভবন পরিদর্শন করে দুপুর ১টা ১৫মিনিটে চাঁদপুর স্টেশন এলাকায় এসে পৌছেন। চাঁদপুর এসে তিনি দুপুরে চাঁদপুর-চট্রগ্রামের মধ্যে চলাচলকারী মেইল ট্রেন সাগরিকা ্এক্রপ্রেসের যাত্রীদের সাথে কথাবলে তাদের যাত্রী সেবা ও ট্রেন পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন আছে কিনা তা’জানতে চান । এ সময় তার সাথে চট্রগ্রাম বিভাগীয় একটি উচ্চতর টিম সাথে ছিলেন।

তিনি বৃহস্পতিবার সকালে লাকসাম থেকে রেলওয়ের স্পেশাল গ্যাংকারে করে রওনা দিয়ে দুপুরে চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশনে আসেন। প্রথমে ষ্টেশন মাষ্টার গ্রেড-১, মারুফ হোসেনের সাথে তার স্টেশন এলাকার অফিসকক্ষে বসে আয় ও ব্যয়ের বিভিন্ন তথ্য নেন এবং আয় কিভাবে বাড়ানো যায় সে সম্পকে আলামচারিতা করেন। পরে জিআইবিআর স্টেশন এলাকার বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন। পরে তিনি বিকেলে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে থাকেন। এসময় সাংবাদিকরা তার কাছে রেলওয়ের জমি অবৈধ ভাবে দখলসহ রেলওয়ে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন অনিয়ম, তুলে ধরেন এসময় রেলের বিভিন্ন উন্নয়ন সম্পর্কে আলাপ করা হয়।
পরক্ষনে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। তিনি বরেন, আমি এখানকার বর্তমান অবস্থা স্বচোঁখে দেখতে এসেছি। এখানে যাত্রীদের সুরক্ষা,স্টেশনের অবকাঠামো, ব্রিজ গুলির ত্রুটি, জনবল বৃদ্ধি এবং চাঁদপুরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে এসেছি।

তিনি আরো বলেন,এখানকার বর্তমান অবস্থা জানার পর রেলের প্রত্যেকটি বিভাগের দপ্তর প্রধান উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে বিষযটি নিয়ে আলাপ করতে আমার সহজ হবে তাই আজ চাঁদপুরে আসা। এরপর তিনি পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর শেষ করে তিনি চাঁদপুর এলাকা ত্যাগ করে ঢাকার উদ্দের্শে চলে যান।

এসময় গর্ভামেন্ট ইন্সিপেক্টর অব বাংলাদেশ রেলওয়ে(জিআইবিআর) মো: ফরিদউদ্দিন আহমেদ এর সাথে উপস্থিত ছিলেন,চট্রগ্রাম বিভাগীয় ম্যানেজার(ডি.আর,এম) মো: কামরুজ্জামান, চট্রগ্রাম বিভাগীয় প্রকৌশলী-(১)আবু রাফি মোহাম্মদ ইমতিয়াজ হোসাইন, বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, বিভাগীয় বানিজ্যিক কর্মকর্তা তৌসিয়া আহমেদ,যান্ত্রিক প্রকৌশলী মো: সাজিদ হাসান নির্জ্জর,সেতু প্রকৌশলী জিসান দত্ত, সিগনাল প্রকৌশলী মো: সেলিম হোসেন, চট্রগ্রাম বিভাগীয় নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ডেন্ট মো: সহিদুল্লাহ, অতিরিক্ত সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা (এডিটিও) মো: ফেরদৌস, অতিরিক্ত সহকারী বানিজ্যিক কর্মকর্তা (এডিসিও) মো: ফারহান মাহমুদ,এসএসএই(ওয়ে) লাকসাম মো. লিয়াকত আলী মজুমদার, চাঁদপুর স্টেশন মাষ্টার-১,মারুফ হোসেন,পি.এস.এম -৩ মো: সোয়াইবুল শিকদার, বিদ্যুৎ বিভাগের ফোরম্যান মো: হারুন, রেলওয়ে থানার ওসি রাজিব কর, চাঁদপুর রেলওয়ে নিরাপত্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: শাহাদাত হোসেন, নিরাপত্তা হাবিলদার ইমাম হোসেন, চাঁদপুর রেলের সকলস্থরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিসহ অনেকে।

ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম