ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য

লেখক।

।। জুবাইয়া বিন্তে কবির।। ভোরের প্রথম আলো যখন নিঃশব্দে জানালার কাচ ছুঁয়ে ঘরে এসে দাঁড়ায়, পাখির কলকাকলিতে যখন নতুন দিনের আগমনী বার্তা বেজে ওঠে, তখনই শুরু হতে পারে জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়। অথচ সেই স্নিগ্ধ সকালকে আমরা অনেকেই বন্দি করে ফেলছি মুঠোফোনের ছোট্ট পর্দায়।

চোখ মেলেই কারও বার্তা, কারও ছবি, পৃথিবীর নানা প্রান্তের খবর কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যস্ততায় হারিয়ে যাচ্ছে নিজের সঙ্গে নিজের দেখা হওয়ার মুহূর্তটুকু। যে সকাল হতে পারত স্রষ্টার স্মরণে, প্রিয়জনের সান্নিধ্যে, সন্তানের হাসিতে আর নির্মল প্রকৃতির সৌন্দর্যে ভরা, সেই সকালই কখনো কখনো শুরু হচ্ছে অপ্রয়োজনীয় তথ্যের ভিড় আর মানসিক অস্থিরতা দিয়ে। অথচ জীবনের প্রকৃত সৌন্দর্য প্রযুক্তির পর্দায় নয়, লুকিয়ে আছে সম্পর্কের উষ্ণতায়, আত্মার প্রশান্তিতে এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের ছোট ছোট অভ্যাসে। তাই নতুন দিনের প্রথম সময়টুকু মোবাইলের জন্য নয়, বরং নিজের শরীর, মন, পরিবার ও স্রষ্টার জন্য বরাদ্দ রাখার মধ্যেই থাকতে পারে সুন্দর জীবনের এক অনন্য দর্শন।

বাংলাদেশেও স্মার্টফোনের বিস্তার এই অভ্যাসের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আইসিটি ব্যবহার ও প্রয়োগ জরিপের চতুর্থ প্রান্তিকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল-জুন সময়ে পাঁচ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর হার ৮৯ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ। দেশের ৭৫ দশমিক ১ শতাংশ পরিবারের স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। জরিপে ৬৪ জেলার ৬১ হাজার ৬৩২টি পরিবারের তথ্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ প্রযুক্তি এখন আমাদের পারিবারিক, সামাজিক ও কর্মজীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু প্রযুক্তির এই সহজলভ্যতা যেন আমাদের ব্যক্তিগত সময়, পারিবারিক সম্পর্ক ও মানসিক প্রশান্তি কেড়ে না নেয়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

সকালে ঘুম থেকে উঠেই দীর্ঘ সময় ফোনের পর্দায় চোখ আটকে রাখার অভ্যাস মনোযোগ ও মানসিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ২০২৪ সালে প্রকাশিত একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ৪৫ মিনিট স্মার্টফোন ব্যবহারের পর অংশগ্রহণকারীদের মানসিক ক্লান্তি ও তন্দ্রা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি মনোযোগ ও প্রতিক্রিয়াসংক্রান্ত পরীক্ষায় কর্মক্ষমতা হ্রাসের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। অন্যদিকে, আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (এপিএ) ২০২৬ সালের ‘স্ট্রেস ইন আমেরিকা’ জরিপে ৩ হাজার ১৩২ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশ নেন। তাঁদের ৫১ শতাংশ অন্তত কখনো কখনো সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন বোধ করেন এবং ৪৭ শতাংশ মানসিক চাপ, অনিশ্চয়তা ও অতিরিক্ত মানসিক ক্লান্তির কারণে গত এক বছরে অন্তত একটি সামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন। তবে এসব গবেষণা সকালের প্রথম কয়েক মিনিটের ফোন ব্যবহারের সরাসরি ক্ষতিকর প্রভাব প্রমাণ করে না; বরং অতিরিক্ত ডিজিটাল নির্ভরতা ও মানসিক সুস্থতার সম্পর্ক নিয়ে সচেতন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

সুস্থ সকাল শুরু করতে হলে রাতের ঘুমের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। শুধু ভোরে ওঠার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম বিসর্জন দেওয়া স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। বয়সভেদে শিশু-কিশোরদের আরও বেশি ঘুম দরকার; ৬ থেকে ১২ বছর বয়সীদের ৯ থেকে ১২ ঘণ্টা এবং ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমের সুপারিশ রয়েছে। তাই সন্তানদের নিয়ে ভোরে ওঠার অভ্যাস গড়তে হলে রাতের ঘুমের সময়ও নিয়মিত করতে হবে। ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ তাড়াহুড়া না করে ধীরে বিছানা ছাড়ুন, এক গ্লাস পানি পান করুন, জানালা খুলে সকালের প্রাকৃতিক আলো গ্রহণ করুন। শরীরের সক্ষমতা অনুযায়ী হালকা স্ট্রেচিং বা হাঁটাহাঁটি করুন। প্রাকৃতিক আলো শরীরের স্বাভাবিক ঘুম-জাগরণ চক্র বা সার্কাডিয়ান রিদমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে সহায়তা করে।

আমাদের পরিবারের সকাল শুরু হয় ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্য দিয়ে। আমি, আমার স্বামী এবং আমাদের দুই কন্যা ও এক পুত্র—পাঁচজনই ভোরে ঘুম থেকে উঠে ওজু করে ফজরের নামাজ আদায় করি। এরপর প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট পবিত্র কোরআন শরিফ তিলাওয়াত করি। দিনের শুরুতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে নামাজ আদায় ও কোরআন তিলাওয়াতের এই সময়টুকু আমাদের কাছে শুধু ধর্মীয় অনুশীলন নয়, পারিবারিক ভালোবাসা ও আত্মিক প্রশান্তিরও এক অনন্য মুহূর্ত। আমার বাবার বাড়ি এবং শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও সকালে ধর্মীয় নিয়মকানুন মেনে চলার সুন্দর চর্চা দেখে বড় হয়েছি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসা এই অভ্যাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সন্তানদের শুধু ভালো ফলাফল কিংবা পেশাগত সাফল্যের জন্য প্রস্তুত করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; তাদের নৈতিকতা, আত্মশুদ্ধি, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিকতার শিক্ষাও দিতে হয়।

সকালের এই ধর্মীয় অনুশীলনের সঙ্গে আধুনিক বিজ্ঞানেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র রয়েছে—নিয়মিত জীবনযাপন, মনোযোগ এবং মানসিক স্থিরতা। পবিত্র কোরআনের সুরা আল-ইসরা, আয়াত ৭৮-এ ফজরের কোরআন পাঠের বিশেষ তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি হাদিসে দিনের প্রারম্ভে বরকতের জন্য দোয়া করার কথা এসেছে (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ২৬০৬)। অন্য ধর্মীয় ঐতিহ্যেও সকালের প্রার্থনা, ধ্যান ও আত্মসংযমের গুরুত্ব রয়েছে। বাইবেলের গীতসংহিতা ৫:৩-এ সকালে প্রার্থনার কথা বলা হয়েছে। ভগবদ্গীতার ৬:১৭ শ্লোকে আহার, কর্ম, নিদ্রা ও জাগরণে ভারসাম্য বজায় রাখার শিক্ষা রয়েছে। বৌদ্ধধর্মে সচেতন উপস্থিতি বা মাইন্ডফুলনেস, ধ্যান ও আত্মপর্যবেক্ষণের চর্চা মনকে স্থির রাখার পথ হিসেবে বিবেচিত। অর্থাৎ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি ভিন্ন হলেও আত্মশুদ্ধি, সংযম, নিয়মশৃঙ্খলা এবং দিনের শুরুতে অন্তরের যত্ন নেওয়ার শিক্ষায় একটি সুন্দর মিল রয়েছে। কোনো ধর্মই আধুনিক ফোনের মতো প্রযুক্তি সম্পর্কে সরাসরি নির্দেশ দেয়নি; তবে সময়ের সদ্ব্যবহার, দায়িত্ব পালন ও আত্মসংযমের শিক্ষা প্রযুক্তির সচেতন ব্যবহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নামাজ ও কোরআন তিলাওয়াত শেষে আমাদের সকালের ব্যস্ততা শুরু হয়। হালকা নাশতা করে সন্তানরা নিজেদের স্কুলব্যাগ গুছিয়ে নেয়। তাদের প্রয়োজনীয় বই, খাতা ও অন্যান্য সামগ্রী ঠিক আছে কি না, তা দেখে আমরা স্কুলের উদ্দেশে রওনা হই। আমার স্বামীও তাঁর অফিসের উদ্দেশে বের হন। এই ছোট্ট পারিবারিক আয়োজনের মধ্যে থাকে দায়িত্ববোধ, সহযোগিতা, ভালোবাসা ও একে অপরের প্রতি যত্ন। সন্তানদের সঙ্গে সকালের কিছু কথা, তাদের পড়াশোনার খোঁজ নেওয়া কিংবা স্কুলে যাওয়ার আগে উৎসাহ দেওয়া—এসব মুহূর্ত কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশনের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেও দিনের কাজ, সন্তানদের প্রয়োজন কিংবা পারিবারিক দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি, একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখি এবং কর্মক্ষেত্রের জরুরি বার্তার উত্তর দিই। আমাদের কাছে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করার বিষয় নয়; বরং প্রয়োজনের বাইরে অযথা সময় নষ্ট না করে প্রযুক্তিকে জীবনের সহায়ক করে তোলাই গুরুত্বপূর্ণ।

পরিবারের এই অভ্যাসকে আরও স্বাস্থ্যকর করতে কয়েকটি বৈজ্ঞানিক ও বাস্তবসম্মত নিয়ম অনুসরণ করা যায়। রাতে ঘুমানোর আগে অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, ফোন বিছানা থেকে দূরে রাখা এবং সকালে ঘুম ভাঙার পর অন্তত ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এড়িয়ে চলা যেতে পারে। একসঙ্গে অতিরিক্ত পানি পান কিংবা সবার জন্য একই ধরনের ব্যায়াম বাধ্যতামূলক নয়; বয়স, স্বাস্থ্য ও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। খালি পেটে চা-কফি সবার জন্য ক্ষতিকর—এমন বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তও নেই; তবে যাঁদের অ্যাসিডিটি বা বুকজ্বালার সমস্যা হয়, তাঁরা নিজের সহনশীলতা অনুযায়ী সময় ও পরিমাণ ঠিক করবেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের সপ্তাহে অন্তত ১৫০ থেকে ৩০০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক পরিশ্রম করা প্রয়োজন। তাই সকালের ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটা দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা বাড়ানো যেতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০৫ জন অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে ২০২৪ সালের একটি নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষায় এক সপ্তাহ ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলেও মোট স্ক্রিন টাইম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি; তবে ফোন পরীক্ষা করার অভ্যাসটি কিছুটা বেশি সচেতন হয়েছে। ফলে শুধু নোটিফিকেশন বন্ধ নয়, নিজের ইচ্ছাশক্তি ও ব্যবহারের সময় নিয়ন্ত্রণও জরুরি।

তবে সবার জীবনযাপন এক রকম নয়। চিকিৎসক, সাংবাদিক, জরুরি সেবাকর্মী, ব্যবসায়ী কিংবা কর্মজীবী অনেকের সকাল শুরু হয় প্রয়োজনীয় ফোনকল ও বার্তা দিয়ে। পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের দেখাশোনা কিংবা সন্তানদের স্কুলসংক্রান্ত জরুরি যোগাযোগের জন্যও ফোন ব্যবহার করতে হয়। তাঁদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ বজায় রেখেই অপ্রয়োজনীয় স্ক্রলিং থেকে দূরে থাকা সম্ভব। শিশুদের ক্ষেত্রেও অভিভাবকদের দায়িত্ব রয়েছে। সন্তানদের সামনে নিজেরা সারাক্ষণ ফোন ব্যবহার করলে তাদের কাছ থেকে ফোনবিমুখতা আশা করা কঠিন। তাই পরিবারের সবাই মিলে সকালের কিছুটা সময় ফোনমুক্ত রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে। ধর্মীয় শিক্ষা, পারিবারিক কথোপকথন, নাশতা এবং দিনের পরিকল্পনায় সন্তানদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলে তারা ছোটবেলা থেকেই সময়ের মূল্য, দায়িত্ববোধ ও আত্মনিয়ন্ত্রণ শিখতে পারবে।

পরিশেষে, জীবনকে সুন্দর করতে সব সময় বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না। কখনো কখনো প্রতিদিনের ছোট্ট একটি অভ্যাসই এনে দিতে পারে প্রশান্তি ও শৃঙ্খলার নতুন অনুভূতি। আগামীকাল সকালে ঘুম ভাঙার পরপরই ফোন হাতে না নিয়ে নিজের জন্য ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় রাখুন। ওজু করে নামাজ আদায় করুন, ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী প্রার্থনা বা ধ্যান করুন, পছন্দের ধর্মগ্রন্থ পাঠ করুন, প্রাকৃতিক আলো-বাতাস উপভোগ করুন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলুন। সন্তানদের স্কুলের প্রস্তুতিতে সহযোগিতা করুন, প্রিয়জনের খোঁজ নিন। তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল ব্যবহার করুন। মনে রাখতে হবে, পৃথিবীর সব খবর সকালে জানতেই হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ফেসবুকে কে কী লিখল, ইউটিউবে নতুন কী ভিডিও এল কিংবা হোয়াটসঅ্যাপে কতগুলো বার্তা জমল—এসব কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে পারে। কিন্তু আপনার শরীর, মন, পরিবার, সন্তানদের শৈশব এবং নিজের আত্মিক প্রশান্তির মুহূর্তগুলো অপেক্ষা করে থাকে আপনার একটু মনোযোগের জন্য। দিনের প্রথম আলোয় তাই অন্যের জীবন দেখার আগে নিজের জীবনের দিকে তাকান। কারণ সুন্দর সকাল মানে শুধু ঘুম থেকে জেগে ওঠা নয়; সুন্দর সকাল মানে স্রষ্টার স্মরণে, পরিবারের ভালোবাসায় এবং নিজের যত্নে নতুন করে জেগে ওঠা।

লেখক : জুবাইয়া বিন্তে কবির
অর্থনীতিবিদ, গবেষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

ফোকাস মোহনা.কম