
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তফা খান সফরী বলেন, দেশ ও গণতন্ত্রের সংগ্রামে খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। তিনি সব সময় দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল ত্যাগ, সংগ্রাম ও দেশপ্রেমে ভরপুর, যা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে খালেদা জিয়ার অবদান জাতি কখনো ভুলবে না। তার আদর্শ ও সংগ্রামের পথ অনুসরণ করেই নেতাকর্মীদের দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং উপস্থিত সবার কাছে তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।
তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-,সংগ্রাম এবং বহু ত্যাগের বিনিময়ে বিএনপি এ দেশের মানুষের ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। নতুন বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রী আসন অলংকৃত করেছেন জিয়া পরিবারের সুযোগ্য সন্তান, বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। তাই তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে বিএনপির প্রতিটা নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোন গুপ্ত সংগঠন যেন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সেজন্য আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণা এবং লালন করে চাঁদপুরে বিএনপির প্রতিটা নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ইফতার পূর্বক মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনাসহ দেশজাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোশাররফ হোসেন।


