কচুয়ায় বিসর্জনের মধ্যে দিয়েই শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

উপজেলার ৩৮টি মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়

কচুয়া (চাঁদপুর) : বিজয়া দশমী পূজার মধ্য দিয়ে বুধবার শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা। সকাল ৯টা ৫৭ মিনিট থেকে দশমী বিহিত পূজার লগ্ন শুরু হয়। পূজা শেষে দর্পণ বিসর্জনের মধ্যদিয়ে পূজার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। এরপর কচুয়া উপজেলার ৩৮টি মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়।

চণ্ডীপাঠ, বোধন এবং দেবীর অধিবাসের মধ্যদিয়ে গত শনিবার থেকে শুরু হয় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এবার দেবী এসেছেন গজে চড়ে, গেছেন নৌকায় চড়ে। এর মধ্যদিয়ে দেবী মর্ত্য ছেড়ে স্বর্গে ফিরেন।

পুরাণ মতে, মহিষাসুরের সঙ্গে ৯ দিন ৯ রাত যুদ্ধের পর দশম দিনে জয়ী হন দেবী দুর্গা। এ জন্যই বিজয়া। বিজয়া দশমীর কথাটি শুনলেই মন বিষাদগ্রস্থ হয়ে পড়ে। কিন্তু এ কথাটাও আমাদের ভুললেই চলবে না যে, এই দিনে মা বিজয়ী হয়েছিলেন, এই মা সফল হয়ে ছিলেন। তবুও এই দিনে মা আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন এ কথা মনে পড়লেই মন অশান্ত হয়ে উঠে। বিজয়া দশমীর তিথিতে মা সকল অশুভ শক্তির বিনাশ করেন এবং সারা বছরের জন্য আমাদের আনন্দে ভরিয়ে রেখে যান। সেই লোকাচার বাংলার ঘরে ঘরে সিঁদুর খেলা হিসেবে পরিণত হয়েছে। সিঁদুর খেলার পাশাপাশি চলে কোলাকুলিও।

এ বছর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৩৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়।

ফম/এমএমএ/রাছেল/

মো. রাছেল | ফোকাস মোহনা.কম