কচুয়া চুরি যাওয়া মটরবাইক উদ্ধারের পর মালিক হুমকিতে

প্রতিকী ছবি।

কচুয়া (চাঁদপুর): কচুয়া পৌরসভার ব্যবসায়ী মনির হোসেনের চুরি হওয়া মোটর সাইকেল উদ্বারের পর থেকে মনির হোসেন ও তার পরিবারকে মারধর ও হুমকি ধমকি প্রদান করে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মনির হোসেন ২২ ফেব্রুয়ারী চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।মামলা নং সিআর ১০৩/২৪ তারিখ ২২.২.২০২৪। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন ১৯ জানুয়ারী রোজ শুক্রবার কচুয়া পৌরসভার মাছিমপুর এলাকার তার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে একটি মোটর সাইকেল চুরি হয়। ওই দিন তিনি কচুয়া থানায় একটি সাধারন ডায়েরী দায়ের করেন। পরদিন শনিবার রাতে থানা পুলিশ মোটর সাইকেলটি পাশ্ববর্তী নবাবপুর এলাকা থেকে উদ্বার করে। এ ঘটনায় মোটর সাইকেলসহ মাছিমপুর গ্রামের আঃ রাজ্জাকের ছেলে মিরাজসহ তিনজনকে থানায় আটক করা হয়। স্থানীয় শালিশদের মধ্যস্থতায় রাতে মুছলেকা নিয়ে মিরাজসহ আটককৃতদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরদিন ২০ জানুয়ারী শনিবার ক্ষিপ্ত হয়ে মিরাজ ও মাসুদ দলবল নিয়ে মনির হোসেনের বাসায় প্রবেশ করে ঘরের কাঠের কেবিনেট ভাংচুর করে ,মনির হোসেনকে মারধর করে। কেবিনেটে থাকা নগদ৪০ হাজার টাকা ও স্বর্নের চেইন নিয়ে যায়।

৯ ফেব্রুয়ারী মিরাজের বাবা আঃ রাজ্জাক ও তার ভাই মাসুদ মনিরের মাছিমপুরে অবস্থিত ফার্নিচারের দোকানে প্রবেশ করে তাকে মারধর করে ক্যাশ থেকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

মারধরের পর মনির হোসেন কচুয়া থানাকে বিষয়টি অবিহিত করলে কোন সমাধান না পেয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারী চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সাক্ষীগনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করে কচুয়া থানাকে তদন্তপূর্বক ৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন।

মনির হোসেন জানান আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী । আমার মোটর সাইকেলটি উদ্বারের পর থেকে মাছিমপুর এলাকার আঃ রাজ্জাক ও তার ছেলেরা আমাকে কয়েক দফা মারধর করেছে। আমি তাদের ভয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে আতংকে আছি। তাই প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে কচুয়া থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান জানান স্বাক্ষীগনের স্বাক্ষ্য গ্রহন ও তদন্ত করে বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন পেশ করা হবে।

ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম