।। মোঃ মকবুল হোসেন।। ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। ফলাফলের অবনতি কিংবা প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থতার ঘটনাকে কেবল শিক্ষার্থীদের অমনোযোগ, শিক্ষকদের ব্যর্থতা কিংবা শিক্ষা বোর্ডের সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখলে প্রকৃত সংকটের গভীরে পৌঁছানো সম্ভব নয়। বরং শিক্ষার্থী ভর্তি, পাঠদান, শিক্ষকের দক্ষতা, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা, মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং অভিভাবকদের সচেতনতা-সবকিছুকে সমন্বিতভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি।
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে শূন্য থেকে মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করে অল্প সময়ের মধ্যে জেলার সেরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে, তার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী আল-আমিন একাডেমী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইতিহাসে। সেই অভিজ্ঞতা বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সংকট উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হতে পারে।
আল-আমিন একাডেমীর কলেজ শাখার সূচনা ও সংগ্রামের ইতিহাস
ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন আল আমিন সোসাইটি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত আল আমিন একাডেমী স্কুল অ্যান্ড কলেজ চাঁদপুরে কলেজ শাখার যাত্রা শুরু হয় ২০০২ সালে।
প্রতিষ্ঠানটির স্বপ্নদ্রষ্টা মরহুম অধ্যক্ষ আব্দুর রব স্যারের অনুপ্রেরণা ও উৎসাহে আমি নিজেও ভিন্ন কলেজের চাকরি ছেড়ে নতুন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগদান করি। আমার মতো আরও দুই-তিনজন শিক্ষক একইভাবে প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার প্রতি আস্থা রেখে এখানে যুক্ত হয়েছিলেন।
আমাদের যোগদানের আগেই অধ্যক্ষ মাহবুব স্যার স্কুল শাখার শিক্ষকদের সহযোগিতায় কলেজ শাখার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে মরহুম আব্দুল আউয়াল পাটোয়ারী স্যারের নেতৃত্বে স্কুলের শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রথম বছরই বিভিন্ন বিভাগে ৪১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা সম্ভব হয়।
নতুন কলেজ হিসেবে তখন শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করা সহজ ছিল না। এরপরও সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দুই বছরের মাথায় চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ৩৭ জন শিক্ষার্থীকে প্রস্তুত করা হয়। তাঁদের মধ্যে ৩১ জন উত্তীর্ণ হয়। পাসের হার ছিল প্রায় ৮৪ শতাংশ।
এটি ছিল একটি নবীন প্রতিষ্ঠানের জন্য আশাব্যঞ্জক সূচনা।
প্রথম দিকের শিক্ষার্থীদের মধ্যেই ছিলেন আফতাব উদ্দিন। স্কুল শাখা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনি ছিলেন
তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা একজন। এসএসসিতে তাঁর জিপিএ ছিল ৪.০০। কিন্তু কলেজে এসে এইচএসসিতে জিপিএ ৪.৬০ অর্জন করেন। পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।
এই অভিজ্ঞতা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়—একজন শিক্ষার্থীর প্রাথমিক ফলাফলই তার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার চূড়ান্ত মাপকাঠি নয়। সঠিক পরিচর্যা, উৎসাহ, মানসম্মত পাঠদান ও উপযুক্ত শিক্ষার পরিবেশ একজন শিক্ষার্থীর জীবনের গতিপথ বদলে দিতে পারে।
শিক্ষার্থী নির্বাচনে কৌশল পরিবর্তন, সাফল্যের নতুন দিগন্ত
প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় বছরে অধ্যক্ষ আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ভালো ফলাফল অর্জন করতে হলে মানসম্মত শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর পাশাপাশি তাদের উপযোগী শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
তাঁর নির্দেশনায় আমরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে চাঁদপুর শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি আকৃষ্ট করতে কাজ শুরু করি। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এর ইতিবাচক ফলও পাওয়া যায়। দ্বিতীয় বছরেই শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি হয়।
পরবর্তী পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ফলাফল ছিল প্রায় শতভাগ পাসের কাছাকাছি।
এরপর প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা দ্রুত বিস্তৃত হতে থাকে। অল্প সময়ের মধ্যেই আল আমিন একাডেমী চাঁদপুর জেলার অন্যতম শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের মেধাতালিকায় চতুর্থ, ষষ্ঠ, অষ্টম ও নবম স্থান অর্জনের মতো গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য আসে।
প্রতিবছর অসংখ্য শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেত।
এমনও হয়েছে, আসনসংখ্যা ও অন্যান্য সীমাবদ্ধতার কারণে প্রতিষ্ঠানের সব যোগ্য শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। অনেক শিক্ষার্থীকে চাঁদপুর সরকারি কলেজ কিংবা মহিলা কলেজে ভর্তির পরামর্শ দিতে হয়েছে। কেউ কেউ পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েছে।
সেই সময়ের অভিজ্ঞতা আজও মনে করিয়ে দেয়, একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য শুধু ভালো ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের পথ তৈরি করাই একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত অর্জন।
২০২৬ সালের ফলাফল বিপর্যয়: সমস্যার গভীরে যেতে হবে
বর্তমান ফলাফল পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে কয়েকটি মৌলিক বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
১. শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়া:প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানের মৌলিক দক্ষতা যথাযথভাবে তৈরি না হলে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভালো ফলাফল প্রত্যাশা করা কঠিন।
২. পাঠদানের মান ও শ্রেণিকক্ষের বাস্তবতা:শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, নিয়মিত পাঠদান, বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি এবং শিক্ষকের জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার মান অর্জিত হয় না।
৩. মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা:কেবল পরীক্ষায় নম্বর পাওয়ার জন্য পড়াশোনা করলে প্রকৃত জ্ঞান ও দক্ষতা তৈরি হয় না। সৃজনশীল চিন্তা, বিশ্লেষণ, সমস্যা সমাধান এবং প্রয়োগভিত্তিক শিক্ষার ঘাটতি ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
৪. শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মূল্যায়নের অভাব: অনেক ক্ষেত্রে চূড়ান্ত পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীর দুর্বলতা শনাক্ত করার কার্যকর উদ্যোগ থাকে না। ফলে পরীক্ষার সময় সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে ওঠে।
৫. শিক্ষকের পেশাগত উন্নয়নে ঘাটতি: পরিবর্তিত পাঠ্যক্রম, প্রশ্নপদ্ধতি ও আধুনিক শিক্ষণ কৌশলের সঙ্গে শিক্ষকদের নিয়মিত পরিচিত করা জরুরি।
৬. অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের অভাব: শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, পড়াশোনার অগ্রগতি, মানসিক প্রস্তুতি ও আচরণগত পরিবর্তন সম্পর্কে অভিভাবক এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ থাকা প্রয়োজন।
৭. প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা: যোগ্য নেতৃত্ব, সঠিক পরিকল্পনা, শিক্ষকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং ফলাফল পর্যালোচনার অভাব একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানকে প্রভাবিত করতে পারে।
উত্তরণের উপায়: অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা
শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু ফলাফল প্রকাশের পর আলোচনা কিংবা দায় চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব সমস্যা চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যেতে হবে।
১. শিক্ষার্থীর মান অনুযায়ী ভর্তি ও প্রাথমিক মূল্যায়ন:ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর পূর্ববর্তী শিক্ষাগত অবস্থান যাচাই করতে হবে। তবে দুর্বল শিক্ষার্থীকে বাদ দেওয়া নয়, বরং তার দুর্বলতা চিহ্নিত করে বিশেষ পরিচর্যার ব্যবস্থা করতে হবে।
২. বিষয়ভিত্তিক বিশেষ ক্লাস:বাংলা, ইংরেজি, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তামূলক ক্লাস চালু করতে হবে।
৩. নিয়মিত পরীক্ষা ও ফলাফল বিশ্লেষণ:মাসিক পরীক্ষা, অধ্যায়ভিত্তিক মূল্যায়ন এবং নির্বাচনী পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে হবে। শুধু নম্বর প্রকাশ নয়, প্রতিটি শিক্ষার্থীর দুর্বলতার কারণ নির্ণয় করতে হবে।
৪. শিক্ষকদের জবাবদিহি ও প্রশিক্ষণ:শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, পাঠ পরিকল্পনা, ক্লাস পর্যবেক্ষণ এবং বিষয়ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৫. শিক্ষার্থী-শিক্ষক অনুপাতের ভারসাম্য:শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এমন পর্যায়ে রাখতে হবে, যাতে শিক্ষক প্রত্যেক শিক্ষার্থীর প্রতি যথাযথ মনোযোগ দিতে পারেন।
৬. অভিভাবক সমাবেশ ও কাউন্সেলিং:নির্দিষ্ট সময় পরপর অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে হবে। অনুপস্থিতি, পড়াশোনায় অমনোযোগ ও পরীক্ষাভীতি দূর করতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে হবে।
৭. মেধাবী ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক পরিকল্পনা:মেধাবীদের উচ্চতর প্রস্তুতির পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কাউকে অবহেলা করা যাবে না।
৮. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে দূরদর্শিতা:প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় শিক্ষার মানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত কিংবা অন্য কোনো অপ্রাসঙ্গিক প্রভাব থেকে শিক্ষার পরিবেশকে মুক্ত রাখতে হবে।
৯. উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনা: শিক্ষার্থীদের শুধু এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নয়, মেডিকেল, প্রকৌশল, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।
১০. ফলাফলভিত্তিক জবাবদিহি ও গবেষণা: শিক্ষা বোর্ড, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রতিবছর ফলাফলের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করতে হবে। কোন বিষয়ে কেন শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে, তা তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে নির্ণয় করতে হবে।
আল-আমিনের অভিজ্ঞতা আমাদের কী শিক্ষা দেয়?
আল-আমিন একাডেমীর কলেজ শাখার শুরুর দিনের অভিজ্ঞতা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট—একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের জন্য শুধু অবকাঠামো কিংবা নাম-পরিচিতি যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন দূরদর্শী নেতৃত্ব, যোগ্য শিক্ষক, মানসম্মত শিক্ষার্থী গড়ার পরিকল্পনা, শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক দায়বদ্ধতা।
একটি নতুন প্রতিষ্ঠানও সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে অল্প সময়ে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছাতে পারে। আবার একসময়ের সেরা প্রতিষ্ঠানও যথাযথ পরিকল্পনা ও মান নিয়ন্ত্রণের অভাবে পিছিয়ে পড়তে পারে।
তাই ২০২৬ সালের এইচএসসি ফলাফল নিয়ে আত্মসমালোচনা জরুরি। একই সঙ্গে প্রয়োজন দোষারোপের পরিবর্তে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা।
আমাদের মনে রাখতে হবে, পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষার একটি সূচক মাত্র; শিক্ষার চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো জ্ঞান, দক্ষতা, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও যোগ্য নাগরিক তৈরি করা।
সুতরাং, এইচএসসি ফলাফল বিপর্যয়কে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে গ্রহণ করে এখনই শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করতে হবে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদ ও শিক্ষা প্রশাসন—সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
অতীতের সাফল্যের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানের সংকট মোকাবিলা করতে পারলেই আবারও ফিরবে শিক্ষার গৌরব, শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস এবং বাংলাদেশের উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত মান।
লেখক পরিচিতি : মোঃ মকবুল হোসেন, প্রাক্তন প্রিন্সিপাল ইনচার্জ, আল-আমিন একাডেমী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুর।
প্রাক্তন অধ্যক্ষ, আতাউর রহমান ভূঁইয়া কলেজ, সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী।
প্রাক্তন অধ্যক্ষ, দি ব্রহ্মপুত্র স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নান্দাইল, ময়মনসিংহ।
প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক, চান্দ্রা ইমাম আলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।


