চাঁদপুর : পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে চাঁদপুরে শোভাযাত্রা ও অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বক্তারা রাষ্ট্রীয় নিয়মকানুন মেনে শান্তিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে জন্মাষ্টমী উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টায় শহরের নতুনবাজার এলাকার শ্রীশ্রী গোপাল জিউর আখড়ায় চাঁদপুর জেলা শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা কেউ বিশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠান করব না। একটি নির্দিষ্ট স্থানে সবাই সমবেত হব। সেখান থেকেই প্রধান অতিথি জন্মাষ্টমীর শুভযাত্রার উদ্বোধন করবেন।’
তিনি বলেন, আগামী ৪ সেপ্টেম্বর সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন করতে চান তারা। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
সুভাষ চন্দ্র রায় আরও বলেন, রথের সময় প্রধান অতিথি পায়ে হেঁটে নিজ বাসায় এসেছিলেন। নির্বাচনের সময় কারও কাছে যেতে হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা তার জন্য কাজ করেছি। পায়ে হেঁটে তিনি সেদিন সাক্ষাৎ করে পরিচিত হয়েছেন।’
সভায় বক্তারা বলেন, ‘আমরা সবাই ভগবানের সন্তান। সবাই মিলে সুন্দরভাবে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন করতে চাই।’ এ সময় রাষ্ট্রীয় নিয়মকানুন মেনে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এবং শোভাযাত্রায় সবাইকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
জেলা শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরেশ চন্দ্র মালাকারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কার্তিক সরকারের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, যুগ্ম সম্পাদক গোপাল সাহা, জেলা ইসকনের সভাপতি প্রভূপাদ জগদানন্দ দাস, শ্রীশ্রী গোপাল জিউর আখড়ার সভাপতি চির রঞ্জন রায়, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক লক্ষণ চন্দ্র সূত্রধর, সদস্যসচিব মানিক ঘোষ, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নেপাল চন্দ্র সাহা, মাধুরী সাহা, জেলা হিন্দু মহাজোট আহ্বায়ক কমিটির উপদেষ্টা রতন দাস, জেলা শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম ঘোষ, সদস্য সুজন সরকার ও বিপ্লব দাস কুট্রিসহ বিভিন্ন মন্দিরের কর্মকর্তারা।
সভায় বক্তারা জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রায় সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণ এবং নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রেখে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ফম/এমএমএ/



