কচুয়া (চাঁদপুর): চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গুলবাহার অশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজের ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী উপলক্ষ্যে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ও ও শিক্ষার্থীদের মাঝে উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে কলেজ মিলনায়তনে দোয়া মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন, স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ খায়রুল আবেদীন স্বপন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, কচুয়ার সংসদ সদস্য,আমাদের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন মহোদয় আমাকে আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজ দায়িত্ব দিয়েছেন শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করার জন্য । আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজের ক্লাস চলাকালীন সময়ে বহিরাগত লোকজন কলেজের আঙ্গিনায় আড্ডা দিতে পারবে না। আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজ পরীক্ষার্থীরা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাস করার জন্য আমরা যারা পরিচালনা পর্ষদের হয়েছি এবং সম্মানিত সকল শিক্ষকগণ সবাই মিলে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। বর্তমানে সকল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা। আমার নেতা মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এখন থেকে তোমরা পরীক্ষার জন্য মানসিক ও শারীরিকভাবে সবকিছু মিলে প্রস্তুতি নেয়।
তিনি আরো বলেন,২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ-৫ পেয়ে প্রতিষ্ঠানকে উজ্জ্বল করবে তাদের জন্য পুরস্কার হিসেবে ১০হাজার টাকা আমি ব্যক্তিগতভাবে উপহার দিবো তোমাদের মঙ্গল কামনা করছি ।
আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক মোঃ ফারুক হোসেনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বরইগাঁও যুব উন্নয়ন সংগঠনের সভাপতি মোঃ আব্দুল কাহার আহমেদ মজুমদার, কাদলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মাঈন উদ্দিন মজুমদার মানিক, বিএনপি নেতা সেলিম খান,বরইগাঁও যুব উন্নয়ন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল আলম রবিউল প্রমুখ।
এ সময় স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া মিলাদ শেষে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আব্দুল কাহার আহমেদ মজুমদার শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।
তিনি বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ একটি সুখবর রয়েছে। যারা আগামী পরীক্ষায় দেওয়ার জন্য মূল্যায়ন ও টেস্ট পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবে আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ২০জন শিক্ষার্থীর যাবিতীয় সকল খরচ সবকিছু আমি বহন করবো। এছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। আশা করি ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীরা শতভাগ পাস করে উপজেলা সর্বোচ্চ রেজাল্ট করে এই প্রতিষ্ঠানকে উজ্জ্বল করবে এ প্রত্যাশা করছি।
ফম/এমএমএ/



