
সভাপতির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) কামরুল হাসান। ছবি: সংগ্রহীত।
চাঁদপুর: পবিত্র ঈদুল আযহা ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) কামরুল হাসান।
তিনি বক্তব্যে বলেন, পবিত্র ঈদুল আযহা মুসলমানদের বৃহত ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব ঘিরে কর্মমুখী মানুষ বাড়ি ফিরবে। নৌ-পথে ও সড়ক পথে যাত্রী সাধারণের কোন দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সে বিষয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।
তিনি আরো বলেন, চাঁদপুর শহরের যানজট কমাতে ফের ইচলি লঞ্চ ঘাট চালু করা যায় কিনা এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসহ লঞ্চ কর্তৃপক্ষদের নিয়ে আলোচনা চলছে। সবাই সকল দপ্তর থেকে আন্তরিক হলে চাঁদপুরে যানজট নিরসন করা সম্ভব হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোসাম্মৎ রাশেদা আক্তারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিলন মাহমুদ বিপিএম বার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল, এন এস আই এর উপ পরিচালক শাহ্ আরমান আহমেদ, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার এ কে এম মাহবুবুর রহমান, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নারী চিকিৎসক ডাক্তার সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক মোঃ রুহুল আমিন, বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শোহাবুর রহমান, চামড়া ব্যবসায়ী প্রতিনিধি মন্টু রবিদাস, লবণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম প্রমুখ।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে মহাসড়কের পাশের গাছ ঈদের আগে ও পরে মিলে ১০ দিন কাটা বন্ধ রাখতে হবে। সড়ক মেরামতের কাজ ঈদের ৩ দিন আগে শেষ করতে হবে। সড়কের পাশে পশুর হাট বসবে না। ঈদে কর্মমুখী মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে নিজ বাড়িতে পৌঁছতে পারে। কোরবানির পশু পিকআপ ভ্যানে আসা-নেওয়া নিয়ে অনেক সময় অনেক বিড়ম্বনা দেখা দেয়। কোরবানির পশু কোন হাটে নেবে, সেটা গাড়ির মধ্যে লেখা থাকতে হবে। ঈদের নামাজ ধর্মীয় ভাব গম্ভীরযে মুসলমানরা আদায় করে থাকেন। সেখানে ঈদের জামাতে কোন বিতর্কিত ইমাম নামাজ পড়াতে পারবেনা।
এছাড়াও সিদ্ধান হয়-লোডশেডিং যেন নিয়ম তান্ত্রিক হয়। পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমস্যা হলে, দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। কোথাও কোন বিদ্যুৎ সমস্যা হলে বা আবার দুর্যোগের কারণে তার ছিড়ে গেলে দ্রুত সমাধান করতে হবে। নদীপথে ২৪ জুন থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত বাল্কহেড বন্ধ থাকবে। চামড়া সংরক্ষণ ও পশুর বর্জ্য নিয়ে কোন অনিয়ম বরদাস্ত হবে না। যিনি কুরবানী দাতা তার পশুর চামড়া তিনি নিজেই সংরক্ষণ করবেন। পশুর চামড়ায় লবণ ছিটিয়ে রাখলে চামড়া নষ্ট হয় না। চামড়া নিয়ে যাতে কেউ গুজব ছড়াতে না পারে সে বিষয়ে আমরা সোচ্চার হতে হবে। কোরবানির পশুর বর্জ্যগুলো নির্দিষ্ট স্থানে গর্ত করে পুঁতে রাখতে হবে। অন্যথায় পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীর সহযোগিতা নিতে অনুরোধ জানানো হয়।
ফম/এমএমএ/



