মায়া চৌধুরীর বাড়িতে আগুনের ঘটনায় জড়িতের বিচার দাবী বিএনপির

মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান নিপু লিখিত বক্তব্যে দেন।

চাঁদপুর: আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর  সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুরের গ্রামের বাড়িতে ভাংচুর, লুটপাট ও আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় জড়িদের বিচার দাবী করে সংবাদ সম্মেলন করেছে মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠন।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে মোহনপুর ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান নিপু লিখিত বক্তব্যে দেন।

তিনি বলেন, গত শনিবার (১৬ নভেম্বর) মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার বাড়িতে কে বা কারা রাতের অন্ধকারে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছেন। এ ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অগ্নি সংযোগ ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের কোন নেতাকর্মী জড়িত নেই। আমরা প্রশাসনের কাছে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত দোষী ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। যাতে কোন নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানি না হয়, প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি সানাউল্লা হক, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাফায়াত খান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুরাদ ব্যাপারী, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কবির তফাদার, সাধারণ সম্পাদক কবির সরকার, প্রচার সম্পাদক এনামুল হক, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. সোহেল রানা তালহা, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুজন প্রধান, যুবদল নেতা মো. সোহরাফ মিয়া, বিএনপি নেতা আমান উল্ল্যা মৃধা, বাবুল খান, আমজাদ গাজীসহ ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে মায়া চৌধুরীর বাড়ীতে আগুনের ঘটনায় সোমবার (১৮ নভেম্বর) মো. শিপন খালাসী বাদী হয়ে ৪১ জনকে আসামি করে এবং ৭০ থেকে ৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মতলব উত্তর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ৬জন আসামিকে গ্রেফতার করে চাঁদপুর আদালতে পাঠিয়েছে থানা পুলিশ। এই মামলার আসামী মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যরা স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বলে জানাগেছে।

ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম