ব্যতিক্রমী সেবা নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাশে মোশারফ ফাউন্ডেশন

চাঁদপুর :  চাঁদপুরে ব্যতিক্রমী মানবিক সেবা নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে ‘মোশারফ ফাউন্ডেশন। ‘এক শহর এক স্বপ্ন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসানের পক্ষ থেকে‌ শহরের তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্রের পাশে প্রায় ২ হাজার পরীক্ষার্থী এবং ১ হাজার অভিভাবকদের বিভিন্নভাবে সেবা প্রদান করা হয়।
এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে কলম ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ, পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা অভিভাবকের জন্য অস্থায়ী বসার ছাউনি নির্মাণ এবং বিশুদ্ধ খাবার পানি ও ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়। যা তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষাকে অনেকটা স্বস্তিদায়ক করে তোলে। এছাড়া পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে বাইক সার্ভিস চালু করা হয়, যার মাধ্যমে জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।

ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন মোশারফ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং আলহাজ্ব মোঃ মোশারফ হোসাইনের একমাত্র সন্তান মারজুক মুঈদ ঐশ্বর্য। তিনি জানান, ‘ আমাদের দেশে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার সময় মা-খালা, বাবা-চাচা, মামাসহ অবিভাবকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। তারা অতি আদরের প্রিয় মানুষটিকে পরীক্ষা কেন্দ্রে দিয়ে, ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন। এই ভোগান্তি থেকে অভিভাবকদের কিছুটা হলেও পরিত্রান দিতে আমরা মোশারফ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শহরের হাসান আলী স্কুল মাঠ, পুরান বাজার ও বাবুরহাট এলাকার তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে অস্থায়ী যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করেছি। সেখানে অভিভাবকদের বসা এবং ফ্যানের ব্যবস্থাসহ বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করেছি।’

তিনি আরো জানান, ‘এর পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের জন্য কলম, বিশুদ্ধ পানি এবং বাইকসার্ভিস সেবা দেওয়া হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল তারা যেন স্বস্তি ও নিশ্চিন্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে। এক শহর এক স্বপ্ন বাস্তবায়নে মোশারফ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

এদিকে এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অভিভাবক মহল। শহরের হাসান আলী স্কুলের মাঠে অপেক্ষারত এক অভিভাবক হাসবলেন, “প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা খুব কষ্টকর ছিল। এখানে ছাউনি ও পানির ব্যবস্থা থাকায় অনেক স্বস্তি পাচ্ছি। এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।”

বাবুরহাট এলাকার পরীক্ষা কেন্দ্রে অপেক্ষমান আরেকজন অভিভাবক জানান, “শুধু পরীক্ষার্থীদের নয়, আমাদের কথাও ভাবা হয়েছে। এটা খুবই ভালো লেগেছে। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের জন্য অনুকরণীয় হয়ে উঠবে। পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ ধরনের মানবিক সহায়তা শুধু স্বস্তিই দেয় না, বরং সমাজে ইতিবাচক বার্তাও পৌঁছে দেয়।

ফম/এমএমএ/

আশিক বিন রহিম | ফোকাস মোহনা.কম