বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুসের আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি

মতলব উত্তর (চাঁদপুর): চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস ২১ ফেব্রুয়ারী আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও মতলববাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি মতলব উত্তর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের সুজাতপুর গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম রজ্জব আলী মুন্সির ছেলে।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে থেকে আওয়ামী লীগের সাথে ছিলেন। বৃহত্তর মতলব উপজেলায় তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তিনি একজন কর্মী বান্ধব ও জনসেবক। ২১ ফেব্রুয়ারী মহান আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এমএ কুদ্দুস বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারী ভাষার মাস, রক্ত দিয়ে মায়ের ভাষা অধিকার আদায় করেছেন সালাম রফিক বরকত জব্বর সহ ভাষা শহীদগণ। একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগণের গৌরব উজ্জ্বল একটি দিন। এ দিনটি আমাদের কাছে ঐতিহ্যময় মাতৃভাষা দিবস। আর ভাষার মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে মাতৃভাষা। একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এ দিবস তথা মাতৃভাষার প্রতি সকল জাতীরই আন্তরিক ও গভীর ভালোবাসা বিদ্যমান। আর এই ভালোবাসা মায়ের প্রতি ভালোবাসার মতোই।

এমএ কুদ্দুস আরো বলেন, আমরা মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি তা বিশ্বব্যাপী অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে খুব কম জাতি মাতৃভাষা মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রাণ দিয়েছে। যাদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি মাতৃভাষা বাংলা, আজকের এই দিনে সেই মহান শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। আমাদের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সূচনা সেই ১৯৫২ সালে শুরু হয়েছিল। রাষ্ট্রভাষা হিসাবে বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়োজনে আপোশহীন সংগ্রাম করেছেন আমাদের সংগ্রামী ছাত্র জনতা। ১৯৫২ সালে এই দিনে বাংলাকে মাতৃভাষা করার দাবিতে পাকিস্তানি সরকারের ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে মিছিল বের করে ছাত্ররা। বুকের তাজা রক্তে প্লাবিত হয়েছে রাজপথ। সেদিন আত্ম হুত্তি দিতে হলো ভাষা শহীদ বরকত, সালাম, রফিক, জব্বার, নাম না জানা অনেকে।

রক্তাক্ত সেই স্মৃতিময় দিনটিকে কেন্দ্র করে বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। মাতৃভাষার আন্দোলন শুধু আমাদের মাতৃভাষার মর্যাদা কে সুপ্রিতিষ্ঠিত করেনি বরং অমর একুশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি লাভ করেছে।

এবং বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিহাসময় বিরাট অর্জন। ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।

পরিশেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শিক্ষা নিয়ে সকল ভেদাভেদ ভুলে জাতি ধর্ম দলমত নির্বিশেষে সকলে মিলে সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলবো, এবং বাংলাদেশের সফল বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাব এবং ডিজিটাল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলবো, এটাই হোক আমাদের সকলের অঙ্গীকার।

ফম/এমএমএ/

আরাফাত আল-আমিন | ফোকাস মোহনা.কম