
চাঁদপুর: বাংলাদেশী ক্রীড়া সামগ্রী উৎপাদন ও বিপণনের পথিকৃৎ, ঢাকা নবাবপুর রায়সাবাজারের ‘ওকে’ স্পোর্টস এর সত্ত্বাধিকারী মরহুম হাজী মোহাম্মদ উল্লাহ খান এবং তাঁর বড় ভাই বাংলাদেশ স্পোর্টস এর সত্তবাধিকারী মরহুম রুহুল আমিন খানের পিতা মরহুম হাজী মোঃ কাশেম খানের কবর জিয়ারত করা হয়েছে।
রোববার (২৩ এপ্রিল) সকালে চাঁদপুর সদরের বালিয়া ইউনিয়নের মধ্য সাপদী জামে মসজিদ সংলগ্নে প্রয়াত ব্যাক্তিদের জিয়ারত করা হয়।
কবর জিয়ারতের এই উদ্যোগ নেন ফারুক স্পোর্টসের প্রতিষ্ঠাতা, ঢাকা ট্রেড সেন্টার খেলাধূলা সামগ্রী ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং ঢাকাস্থ চাঁদপুর জেলা সমিতির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. আবুল কালাম জমাদার।
আবুল কালাম জমাদার বলেন, দেশে মরহুম হাজী মোহাম্মদ উল্লাহ খান প্রথম ক্রীড়াসামগ্রীর খারখানা দেন এবং এগুলো উৎপাদন ও রপ্তানি শুরু করেন। যার মাধ্যমে অনেক বেকারের কর্মসংস্থান হয় এবং পরবর্তীতে এটি সফল ব্যবসায় রূপান্তিরত হয়। সেই মানুষটির কারণে বহু মানুষ আজ কর্মসংস্থানের মুখ দেখছে। সেই মানুষটির জন্যই কবর জিয়ারত এবং ফাতেহা পাঠ এবং দোয়া ও মোনাজাত এবং পরে সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। এই দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা ফরিদ আহম্মদ।
বালিয়া ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং সভাপতি জাকির হোসেন বহরদার, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর খান, মসজিদের মুয়াজ্জিন আব্দুর রাজ্জাক বকাউল, স্থানীয় মুসল্লী হাফেজ মো. আহসান হাবীব, আলী আশরাফ হাওলাদার, চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন রতন, বালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নেছার আহমেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুসল্লিগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, মরহুম হাজী মোহাম্মদ উল্লাহ খান ঢাকাতে স্পোর্টস সামগ্রী ব্যবসা করার সময় চাঁদপুর সদরের বালিয়া ইউনিয়নের মধ্য সাপদী জামে মসজিদ,মাদ্রাসা, ঈদগাহ ও কবরস্থানের জন্য জমি দান করে গেছিলেন। পরবর্তীতে তাঁর শেষ ইচ্ছেতে সেখানেই মোহাম্মদ উল্লাহ খান ও তার বড় ভাই কাশেম খান সমাহিত করা হয়।
ফম/এমএমএ/এমরহ/


