চাঁদপুর: চাঁদপুর শহরের মধ্য তরপুরচন্ডী প্রাইমারী স্কুল রোডের মিজি বাড়ির ছোট ভাই কামরুল হাসান মিজির ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করছে আপন বড় ভাই মনির হোসেন মিজি।
ভুক্তভোগী কামরুল হাসান মিজি তার আপন বড় ভাই মনির মিজি কর্তৃক নানা ষড়যন্ত্রের সম্মূখিন হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
জানা যায়, ২০০১ সালে ৭৯১ দলিল মূল্যে কামরুল হাসান মিজির পিতা হাসান আলী মিজি ৫ শতাংশ জমি বোন হোসনেআরা ও বোনের জামাতা শফিকুল ইসলামকে দানপত্র দলিল করে দেন। এই দলিলের স্বাক্ষী হলেন বড় ভাই মনির হোসেন মিজি। কয়েকদিন পরেই মৃত্যুবরণ করেন বোনের জামাতা শফিকুল ইসলাম। পরে ২০০৪ সালের ৬ জুলাই ৩৬৪১ নং দলিলে বোন হোসনেআরা ভাই কামরুল হাসান মিজির কাছে ২ শতাংশ ৮১ পয়েন্ট জমি বিক্রি করেন। এরপরের দিন ৭ জুলাই ভাগিনা রাসেল মজুমদার, সোহেল মজুমদার ও ভাগনী মরিয়ম ৩৬৭৯ নং দলিলে পিতার ২ শতাংশ ১৯ পয়েন্ট জমি বিক্রি করেন। সিএস ১৬১২, বিএস ৪৮২১, ৪৮২৪ দাগে জমি ক্রয় করেন কামরুল হাসান মিজি।
ভুক্তভোগী কামরুল হাসান মিজি বলেন, আমি আমার বোন ও ভাগিনা-ভাগনীর কাছ থেকে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি। আমার পিতা বোন ও বোনের জামাতাকে জমি দানপত্র দলিল করে দিয়েছেন। এই দলিলে আমার বড় ভাই মনির মিজি স্বাক্ষী রয়েছেন। তিনি আবার এই জমির মালিক দাবি করেন কিভাবে, তা আমার জানা নেই। এই জমির উপরে আমার নির্মানাধীন ভবনটি ১২ বছর জৈনিক এক ব্যক্তির সাথে মিলে করে বড় ভাই মনির মিজি দখল করে রেখেছে। এই বাড়িটি গত মার্চ মাসে দখলমুক্ত করা হয়। এছাড়া তিনি ামার নামে বন্টন মামলাসহ বিভিন্ন মামলা দিয়ে নানাভাবে হয়রানি করছে। স্থানীয় প্রভাবশালী, ভূমিদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে মিল করে আমার বড় ভাই তার নিজের ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছে। এছাড়া ৩৭ নং অসিহত নামা দলিলের সম্পত্তি মনির মিজির দখলে রয়েছে। এটা তিনি কৌশলে স্ত্রী নাছিমা বেগমের (দলিল নং-৭৭১৬/১৩) কাছে বিক্রি করে দেন।আ মি স্থানীয় ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।
এ বিষয়ে মনির মিজির ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনটি বন্ধ হওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
ফম/এমএমএ/



