চাঁদপুর : চাঁদপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে জমে উঠেছে নোনা ইলিশের বাজার। নিষেধাজ্ঞা শেষে দেশের অন্যতম এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ইলিশের পাশাপাশি পাইকারী বিক্রি হচ্ছে নোনা ইলিশ। নেত্রকোনা, জামালপুর ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়ীরা এসেছেন নোনা ইলিশ ক্রয় করতে। ইলিশের বিক্রির পূর্বে সকালে কয়েক ঘন্টা হাকডাক দিয়ে বিক্রি হয় নোনা ইলিশ।
সোমবার (৬ নভেম্বর) সকালে মাছঘাটে গিয়ে দেখাগেছে বেশ কয়েকটি আড়তের সামনে স্তুপ দিয়ে বিক্রি হচ্ছে নোনা ইলিশ। একই সাথে বিক্রি হচ্ছে নোনা ইলিশের ডিম। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ব্যবসায়ীরা মণ হিসেবে ক্রয় করছেন নোনা ইলিশ।
নেত্রকোনা থেকে আসা ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন জানান, তিনি নোনা ইলিশ ক্রয় করতে এসেছেন। প্রতিমণ নোনা ইলিশ ক্রয় করেছেন ১১ হাজার টাকা করে। এসব নোনা ইলিশ ক্রয় করে নিয়ে নিজ এলাকায় সংরক্ষণ করবেন। এরপর আগামী বৈশাখ মাসে বিক্রি করা হবে নোনা ইলিশ। কারণ ওই এলাকায় বৈশাখ মাসে নোনা ইলিশের কদর বাড়ে।
জামালপুর এলাকার জেলে জামসেদ মিয়া বলেন, তিনিও প্রায় ১০মণ নোনা ইলিশ ক্রয় করেছেন। প্রতিমণের দর উঠেছে সাড়ে ১০ হাজার থেকে ১১ হাজার টাকা। আর নোনা ইলিশের ডিম প্রতি কেজি ক্রয় করেছেন ৫৫০টাকা করে।
মাছঘাটের ব্যবসায়ী হাজী হযরত আলী বেপারী জানান, দক্ষিনাঞ্চল থেকে আসা নরম ইলিশগুলো কেটে মাছঘাটের পাশেই নোনা ইলিশে পরিণত করা হয়। অর্থাৎ ইলিশ কেটে লবন দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। এছাড়াও হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী এবং বরিশালের কালিগঞ্জ থেকে এই সময়ে নোনা ইলিশগুলো আড়তে আসে। ৮দিন ১০ দিন নোনা ইলিশের বাজার মিলবে। এরপর আর থাকবে না। বেশীরভাগ ময়মনসিংহ ও জামালপুরের ব্যবসায়ীরা এসব নোনা ইলিশ ক্রয় করেন।
ফম/এমএমএ/


