
বক্তারা বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে নির্বিচারে আলেম-ওলামা এবং মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের হত্যা করেছে। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে পাখির মতো গুলি করে মানুষ হত্যা করেছে। আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছর দেশে গুম, খুন, হত্যা, লুটপাট চালিয়েছিল। কাজেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করলে শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হবে। ৫ আগস্টের পর স্বৈরাচার বিরোধী সকল রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের মামলা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা কর্মীদের মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি। অবিলম্বে এ সকল মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।
বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ এই দেশ থেকে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলের পক্ষে কথা বলা আলেম-উলামাদের নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। তাদের নেতারা বলেছিল আল্লামা মামুন হকসহ অসংখ্য আলেমকে তারা বাংলাদেশে থাকতে দিবে না। অথচ ছাত্র জনতার আন্দোলনে মুখে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের নেতারা ভারত থেকে দেশ বিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। তারা এখন গুজব লীগ ও জঙ্গি লীগের পরিণত হয়েছে।
বক্তারা বলেন, অন্তবর্তী কালীন সরকারের প্রধান বলেছেন আওয়ামী লীগ এ দশে রাজনীতি করবে কি না সেটি তাদের সিদ্ধান্ত। কিন্তু আমরা মনে করি আওয়ামী লীগ এ দেশের রাজনীতি করবে কিনা সে সিদ্ধান্ত এ দেশের জনগণ নিবে। ৫ আগস্ট এদেশের ছাত্র জনতা সিদ্ধান্ত দিয়ে দিয়েছে যে, আওয়ামী লীগ এদেশের আর রাজনীতি করতে পারবে না। কারণ এদেশের ইতিহাসে আর কোন স্বৈরশাসক অভ্যুত্থানের পর দেশ থেকে পালিয়ে যায়নি।
বিক্ষোভ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা যুব মজলিসের সহ-সভাপতি মাওলানা ফজলুল করিম, প্রচার বিভাগের সম্পাদক মাওলানা হামিম, সংগঠক বিভাগের সম্পাদক হাফেজ মোজাম্মেল হোসাইন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা শাহিদুল ইসলাম, জেলা প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ ইব্রাহিম, জেলা মজলিসে আমেলা সদস্য মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ ইসমাইলসহ আরো অনেকে।


