কচুয়ায় চুরি-ডাকাতি বৃদ্ধি, জনমনে আতংক

কচুয়া (চাঁদপুর): গত কয়েকদিনে কচুয়ার বিভিন্ন অ লে চুরি ও ডাকাতি বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশি পাহাড়া জোরদার করা হলেও থেমে নেই চুরি-ডাকাতি।

শুক্রবার (১২ আগষ্ট) রাত ৩ টার দিকে উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের নলুয়া বাজারে তিন ভাই শপিং সেন্টারের দ্বিতীয় তলার সাটারের তালা কেঁটে চোর ভিতরে প্রবেশ করে দোকানে থাকা নগদ আড়াই লক্ষ টাকাসহ দোকানের সিসি ক্যামেরার ডিভিআর মেশিন চুরি করে নিয়ে যায়।

একইদিন উপজেলার পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের সেঙ্গুয়া বাজারের বেলাল স্টোরে চুরি ঘটনা ঘটে। স্টোরে থাকা নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও ৪টি মোবাইল সেট নিয়ে যায় বলে জানান স্টোরের মালিক মো. বেলাল হোসেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের সানন্দকরা গ্রামে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদল ওই গ্রামের রমেশ মাস্টারের বিল্ডিং এর জানালার গ্রীল কেটে ভিতরে প্রবেশ করে আলমিরার লক খুলে নগদ দেড় লক্ষ টাকা ও ২৫ ভরি ওজনের স্বর্নালংকর নিয়ে সটকে পড়ে।

সোমবার মধ্যরাতে উপজেলার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের দোয়াটি-তিলকিয়াভিটা গ্রামের আকবর আলীর বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ডাকাতদল নগদ ৩ হাজার ৫শ টাকাসহ মোট লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে যায় বলেও জানান ভূক্তভোগী পরিবার।

গত ৫ আগস্ট শুক্রবার দিনদুপুরে পালাখাল উত্তর বাজারে রাছেল স্টোর বাইছারা বাজারে মফিজুল ইসলাম হালদার ট্রেডার্সে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়। এ দুটি দোকান থেকে চোরের দল লুটে নেয় নগদ ৫ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা। এছাড়া একইদিন রাতে বিতারা গ্রামের ছাদেক মিয়ার গ্যারেজ থেকে দুটি অটো রিক্সা চুরি হয়।

পক্ষকাল পূর্বে উপজেলার আইনগীরি গ্রামের মাওলানা ফখরুল ইসলামের গৃহে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়। চোর চক্র নগদ ৫০ হাজার টাকাসহ কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। ইদানিং উপজেলার বিভিন্ন অ লে এমনি চুরি-ডাকাতি সংঘটিত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন সানন্দ করার রমেশ মাস্টারের বাড়ির ঘটনাটি ডাকাতি নয় চুরি সংঘটিত হয়েছে বলে দাবী জানান, চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশে চুরি-ডাকাতিরোধে সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশীসহ পুলিশি টহল ব্যবস্থা বৃদ্ধি করা হয়েছে। পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ফম/এমএমএ/

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব | ফোকাস মোহনা.কম