কচুয়া (চাঁদপুর): আসন্ন ঈদুল আজহায় কচুয়ার কোরবানির হাটের বাজার জমাবে কচুয়ার রাজবাবু। এর মালিক কচুয়া পৌরসভার কোয়া গ্রামের খান বাড়ির বিল্লাল হোসেন খান (৪০)।
তিনি দাবি করেন হুলিস্টান ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টির ওজন ১ হাজার কেজি। চার বছর বয়সী ষাঁড়টির দাম হাঁকা হয়েছে ৭ লাখ টাকা। ষাঁড়টিকে সন্তানের স্নেহে লালনপালন করেন বিল্লাল হোসেন। প্রতিদিন সময়মতো খাবার দেওয়া, গোসল করানো ও সেবা-যত্ন করা। রাজবাবুর সঙ্গে বিল্লাল হোসেনের সাথে সখ্য একটু বেশি।
সরজমিনে গেলে দেখা যায়,কচুয়ার রাজবাবুকে প্রতিদিন খেতে দিতে হয় দেশী ঘাস,চিড়া, কলা, খড়, ভুসি, চালের কুড়া ও আর্সেনিকমুক্ত পানি।
প্রতিবেশী মিজানুর রহমান জানান, ‘আমাদের এ অ লের সবচেয়ে বড় ষাঁড় কচুয়ার রাজবাবু। এটি দেখতে বড়, গায়ের রং কালো ও সাদা। ষাঁড়টিকে দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিনই লোকজন এসে দরদাম করে যাচ্ছেন।
কচুয়ার রাজবাবুর মালিক বিল্লাল হোসেন খান জানান, প্রায় ৪বছর পূর্বে শখের বশবর্তী হয়ে হুলিস্টান ফ্রিজিয়ান জাতের একটি ষাঁড়ের বাচ্ছাটি ক্রয় করি। বাড়িতে এনে আদর করে তার নাম রাখি রাজবাবু। গরুটি সন্তানদের মতোই লালন পালন করতে থাকি। বর্তমানে বেশ মোটাতাজা কালো ও সাদা রঙের এই ষাঁড়টির উচ্চতা ৫ ফুট ও লম্বায় ১১ ফুট। যার ওজন ১ হাজার কেজি। আসছে কোরবানি ঈদের বাজারে তিনি তার শখের কচুয়ার রজাবাবুকে বিক্রি করবেন বলে ৭ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছেন।
আগ্রহী ক্রেতাগণ তার গ্রামের বাড়ি কচুয়া কোয়া খান বাড়িতে সরাসরি উপস্থিত হয়ে গরুটি দেখে ক্রয় করতে পারবেন বলে ষাঁড়ের মালিক জানান। তাছাড়া ষাঁড় সম্পর্কিত কোন তথ্য জানতে চাইলে বিল্লাল হোসেন ব্যবহৃত ০১৯৩৫-১২৭১৫৮ মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।
প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় এবার চাহিদার চেয়ে বেশি রয়েছে কোরবানির পশু। ওজনে ৪০০ কেজির ওপরে আছে শতাধিক গরু। এগুলোর বেশির ভাগই ফ্রিজিয়ান জাতের দেশি ক্রস।
ফম/এমএমএ/



