কচুয়া (চাঁদপুর): কচুয়ায় সকিনা আক্তার (১৩) নামে এক কিশোরীর র্ধষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দহরমপুর গ্রামে।
অভিযোগ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় দিকে সকিনার পিতা কৃষি কাজ করতে মাঠে চলে যায়। পাশাপাশি মা জরিনা আক্তার ও পাশের বাড়িতে এক বাসায় কাজ করতে চলে যায়। ওই সময়ে দহরমপুর গ্রামের মফিজুল ইসলামের পুত্র মজিবুল বাসার ঘরে ঢুকে হাত পা বেধেঁ জোর পূর্বক সায়মা আক্তারকে ধর্ষন করে। এই নিয়ে ব্যাপক হই-চৈই হয়। কচুয়া সিটি হাসপাতালে এনে তাকে চেক-আপ করালে ধর্ষণের আলামত পায়। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় শালিস বৈঠক বসে।
শালিসে নাবিলিকা মেয়েটির বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে মজিবুল বাসার তাকে বিবাহ করতে হবে মর্মে রায় দেয়। কিন্তু মজিবুল বাসার গংরা এই রায় মানেনি। বরং মজিবুল বাসার গংরা হুমকি প্রদান করে যে, এই বিষয় নিয়ে কোন কথা বললে বা আইনের আশ্রয় নিলে সাইমা ও তার পিতা মাতাকে জানে মেরে লাশ ঘুম করে ফেলবে।
এমনি অবস্থায় নিরপায় হয়ে সাইমার মা নাছিমা আক্তার বিচারের দাবীতে গত ৪ ডিসেম্বর চাঁদপুরের পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ দায়ের করে। এছাড়াও নাছিমা আক্তার গত ৮ ডিসেম্বর কচুয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসারের নিকট ও অভিযোগ দায়ের করেন। ওই সব অভিযোগে সাইমা আক্তার বর্তমানে অন্তস্বত্তা দাবী করে সু-বিচার পাওয়ার প্রার্থনা জানায়।
এই ব্যাপারে বিবাদী মজিবুল বাসারের ব্যবহৃত (০১৯৩০–৬২২৬) মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার নাম্বারটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী জানান, অভিযোগটি এখনো আমার হাতে এসে পৌছায়নি। হাতে আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এইদিকে কিশোরী ন্যায় বিচারপাবে কিনা এই প্রশ্ন এখন এলাকাবাসীর মুখে মুখে।
ফম/এমএমএ/



