
ছবি: ফোকাস মোহনা.কম।
চাঁদপুর : চাঁদপুর জেলায় পল্লী বিদ্যুৎ ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)-এর আওতাধীন গ্রাহকদের মোট বিদ্যুতের চাহিদা ২৩৩ মেগাওয়াট। এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের চাহিদা ২০২ মেগাওয়াট এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের গ্রাহকদের চাহিদা ৩১ মেগাওয়াট।
পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের চাহিদার তুলনায় গত তিন দিন আগে বিদ্যুৎ সরবরাহে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ঘাটতি ছিল। অন্যদিকে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের গ্রাহকদের জন্য জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ বরাদ্দ নির্ধারিত হয়। ফলে তাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ ও চাহিদা পরিস্থিতি সব সময় একই থাকে না।
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে পল্লী বিদ্যুৎ ও বিপিডিবির কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানাগেছে।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) গোবিন্দ আগারওয়ালা বলেন, তার আওতাধীন উপজেলাগুলোতে বিদ্যুতের চাহিদা ৯২ মেগাওয়াট। গ্রাহক রয়েছে ৪লাখ। এখন শতভাগ বিদ্যুৎ সরবারহ হচ্ছে। গত তিনদিন পূর্বে গড়ে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ কম ছিলো।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) আতিকুজ্জামান বলেন, তার অঞ্চলের উপজেলাগুলোতে বিদ্যুতের চাহিদা ১১০ মেগাওয়াট। গ্রাহক রয়েছে সাড়ে ৪লাখ। এখন শতভাগ বিদ্যুৎ সরবারহ হচ্ছে। গত তিনদিন পূর্বে গড়ে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ কম ছিলো।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান বলেন, চাঁদপুর শহর অঞ্চলে তাদের গ্রাহক ৭৫ হাজার। চাহিদা ৩১ মেগাওয়াট। এ বছর সর্বোচ্চ বিদ্যুতের ঘাটতির সময় প্রতিদিন ৯ থেকে ১০ ঘন্টা লোড সেডিং দিতে হয়েছে। এখন সেই অবস্থা নেই। জাতীয় গ্রীড থেকে যেভাবে সরবরাহ করা হয়, সেভাবে গ্রাহকরা পাচ্ছে। নির্দিষ্ট করে কোন তথ্য দিতে পারেননি।
ফম/এমএমএ/



