
বুধবার (১৯) জুন বিকেলে শহরের বড় স্টেশন মাছঘাটে গিয়ে দেখাগেছে আমদানি করা ইলিশের বড় বড় স্তুপ। এসব ইলিশ বাচাই করে আড়তের সামনেই পৃথক স্তুপে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
বাজারে অর্ধশত আড়ৎ থাকলেও স্থানীয়ভাবে ইলিশ কম পাওয়ায় কিছুটা নিরিবিলি সময় কাটাচ্ছেন অন্য মাছ ব্যবসায়ীরা। আর ২০০ মণ ইলিশ আমদানি করায় খুবই চাঙ্গা মেসার্স এসএম মামুন ট্রেডার্সের। এই আড়তের স্বত্ত্বাধিকারী হাজী মালেক খন্দকার।
তিনি বলেন, আমার আড়তের ইলিশগুলো দক্ষিণাঞ্চল থেকে এসেছে। এখানকার খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীদের মাঝেই এসব ইলিশ বিক্রি হবে। ঈদের এই সময়টাতে আপাতত আমদানি ইলিশের স্থানীয়দের চাহিদা মিটবে।
মালেক খন্দাকরের সামনে খচুরা বিক্রি হয় ইলিশ। ওই বিক্রেতা জানান, এক কেজি ওজনের বেশী প্রতি কেজি ১ হাজার ৬শ’ ৫০টাকা। ৮শ’ থেকে ৯শ’ গ্রাম ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ ১ হাজার ৪শ’ ৫০টাকা এবং ৫শ’ থেকে ৬শ’ গ্রাম ওজনের প্রতি কেজি ১ হাজার ৩শ’টাকা।
মেসার্স মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়া আড়তের ম্যানেজার ওমর ফারুক বলেন, আজকে স্থানীয় ইলিশ খুবই কম এসেছে। মালেক খন্দকারের আড়তে এসেছে প্রায় ২০০মণ ইলিশ। তবে দাম আগের চাইতে তুলনামূলক কিছুটা কম।
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, বর্ষা মৌসুমে ইলিশের আমদানি বাড়ে। চাঁদপুরেও সামনে বাড়ার সম্ভাবনা আছে। আমরা এ বছর জাটকা সংরক্ষণের কাজটি সফলভাবে করেছি। এটির সুফল সামনে পাওয়া যাবে।


