চাঁদপুর: দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আনোয়ারা-মতিউর মডেল মাদরাসা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ ধরনের দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সমাজের বিত্তবান ও সচেতন ব্যক্তিদের এগিয়ে আসা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি, দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক সোহেল রুশদি।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) চাঁদপুর পৌরসভার ১৫ নং ওয়ার্ডের বিষ্ণুদী জিটি রোড সামু গাজী বাড়ি সংলগ্ন বাইতুল মামুর জামে মসজিদ কমপ্লেক্স ও ঈদগাহ মাঠে আনোয়ারা-মতিউর মডেল মাদরাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও ঈছালে সওয়াব মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আনোয়ারা-মতিউর মডেল মাদরাসা একটি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও বাস্তবজ্ঞান অর্জনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। মাদরাসার পরিচালক অনেক প্রতিকূলতা ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা ও আর্থিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। তাই ইসলামের খেদমত এবং আগামী প্রজন্মকে আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে স্থানীয় এলাকার বিত্তবান ব্যক্তিদের এ প্রতিষ্ঠানের পাশে দাঁড়ানো উচিত। সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি, বিশিষ্ট আলেম আলহাজ্ব মাওলানা মো. সাইফুদ্দিন খন্দকার।
মাহফিলে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান পেশ করেন মান্দারী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা নেছার আহমদ মান্দারী, ফরিদগঞ্জ দারুস সুন্নাত সিদ্দিকিয়া সিরাজিয়া কমপ্লেক্সের পরিচালক হাফেজ মুফতি আহসান উল্লাহ নেছারী এবং রহমতপুর পাড়া দারুস সুন্নাত তাহফিজুল কোরআন মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মো. দ্বীন ইসলাম।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আনোয়ারা-মতিউর মডেল মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মো. আবদুর রহমান গাজী। এ সময় মাদরাসার শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ফম/এমএমএ/


