কচুয়ায় বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর : গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ 

কচুয়া (চাঁদপুর): চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভার বালিয়াতলী গ্রামে জমিজমা বিরোধের জের বসতবাড়ি বিল্ডিং ভাঙচুর করে লুটপাট ও গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার সকালে বালিয়াতুলী গ্রামের মিয়াজী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুল্লা গংদের সাথে ক্রয়কৃত সম্পত্তি নিয়ে একই বাড়ির ওলি উল্লাহ গংদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব রয়েছে। ২০১৫ সালে বালিয়াতুলী গ্রামের বিশিষ্ট শিল্পপতি হাজী আব্দুল জলিলের কাছ থেকে ৩৯ শতক জমি ওলি উল্লাহ ক্রয় করেন। ওই জমিতে হাবিবুল্লাহ গংরা ভাসমান ছিলো। হাবিবুল্লাহ গংরা ওলি উল্লাহ ক্রয়কৃত জায়গার উপর থেকে চলে যাওয়ার কথা থাকলেও তারা তালবাহানা শুরু করে। এই নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশও হয়। গত (২১ অক্টোবর) বুধবার সকালে দলবদ্ধ হয়ে ওলি উল্লাহর দুটি বিল্ডিং ভাংচুর করে কয়েকটি গাছ কেটে নিয়ে যাই।
তারা আরো জানান, ৩৯ শতাংশ জায়গা মূলত আগে মালিক ছিলো হাবিবুল্লাহ গং। গত কয়েক বছর আগে ওই জায়গাটি হাজী আব্দুল জলিলের কাছে বিক্রি করে ফেলে হাবিব উল্লাহ। পরবর্তীতে হাজী আব্দুল জলিলের কাছ থেকে ওলি উল্লাহ জায়গায়টি ক্রয় করেন, এবং দলিলসহ সকল কাগজপত্র ওলি উল্লাহর নামে রয়েছে।
ভুক্তভোগী ওলি উল্লাহ জানান, বাড়ির ভিতরে ৩৯ শতাংশ জমি হাজী আব্দুল জলিলের কাছ থেকে আমি ক্রয় করি। ওই জায়গার উপর মানবিক দৃষ্টিতে হাবিবুল্লাহ গংরা ভাসমান ছিলো। গত ১১ বছর জোরপূর্বক অবৈধভাবে আমার জায়গায় উপর হাবিব উল্লাহ বসবাস করে আসছে। গ্রামের সালিশরা ওই জায়গা থেকে হাবিবুল্লাহ পরিবারকে চলে যাওয়ার কথা বললে আমার ছেলে সন্তান ও পরিবারের উপর জুলুম নির্যাতন শুরু করে। একপর্যায়ে গত বুধবার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে হাবিব উল্লাহ, তার ছেলে ইউসুফ, ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে সিয়াম, জোবার হোসেন, পিংকি ও লাকিসহ দলবদ্ধ হয়ে দুটি বিল্ডিং ভাঙচুর, লুটতরাজ ও কয়েকটি ফল ও কাঠ জাতীয় গাছ কেটে ফেলেন।
তিনি আরো জানান, ২০১৩ সালে আমার মেজো ছেলেকে ইসমাইল হোসেন ও ইউসুফ প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করেছে। ওই ঘটনায় তারা কারাবরণ করেছে। তারা আবারও আমার সন্তানদেরকে হত্যা করবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছেন। বর্তমানে আমার পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতা রয়েছি।
ফম/এমএমএ/

উপজেলা করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম