চাঁদপুর সদরের রামপুরে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন

চাঁদপুর: চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে সকদি পাঁচগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মী সম্মলেন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম শূরা ও কর্ম পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার সদস্য মো. শাহ আলম।
তিনি বলেন, এদেশের মানুষ জামায়াত ইসলামীকে গ্রহণ করে নিয়েছে। জনগণ বিশ্বাস করে জামায়াতে ইসলামী শোষনমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত সুন্দর সমাজ গঠন করতে পারবে। বিগত সরকারের সকল অপপ্রচার, জুলুম, নির্যাতন সকল ভয় ভীতি জামায়াতে ইসলামীকে দাবীয়ে রাখতে পারেনি এবং ভবিষ্যতেও কোন জালিমের জুলুম কিংবা রক্তচক্ষুকে জামায়াতে ইসলামী ভয় করেনি করবে না ইনশাআল্লাহ। জামায়াতে ইসলামী একমাত্র আল্লাহকে ভয় করে এবং করবে। এ সময় তিনি আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীকে বিজয়ী করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী ৫নং রামপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মাওলানা হোসাইন শহীদ এর সভাপতিত্বে  বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম শূরা ও কর্ম পরিষদ চাঁদপুর সদর উপজেলা শাখার সদস্য মাওলানা পি.এম. গিয়াস উদ্দিন আজম, চাঁদপুর সদর উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মো. মিজানুর রহমান।
মাওলানা নূর মোহাম্মদ এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ছোট সুন্দর আল আমিন ছিদ্দিকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল ফারাহ, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী ৫নং রামপুর ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারী মাওলানা মিজানুর রহমান।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সদস্য মাওলানা শাহ জাহান মিজি, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. ইসহাক মিয়াজী, ডা. আবু নাঈম, বাংলাদেশ ছাত্র শিবির শাহাতলী অঞ্চল শাখার সভাপতি কাউছার ইবনে হোসাইন, রামপুর ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. সিয়াম খান।
সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির ৫নং রামপুর ইউনিয়ন সভাপতি মো. মুজাহিদ আহমেদ।
কর্মী সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ইকবাল গালিব, হারিছ হোসাইন সহ ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীলবৃন্দ ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।
কর্মী সম্মেলনে নেতৃবৃন্দরা বলেন, আপনারা প্রত্যেকে এখন থেকে মানুষের দ্বারে দ্বারে প্রতিটি গ্রামেগঞ্জে প্রতিটি ঘরে ঘরে ইসলাম ও দ্বীন কায়েমের আন্দোলনের দাওয়াত পৌঁছে দেবেন। গত দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে চলা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী আচরণের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দলের নাম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে বিচারিক হত্যা, পুরো দেশকে গুম-খুন, নির্যাতনের নগরী হিসেবে পরিনত করেছে আওয়ামীলীগ সরকার। আগামীতে যাতে আর কেউ এ জাতির উপর কোন প্রকার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে সেজন্য জামায়াতে ইসলামীর সকল কর্মী ভাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তারা আরো বলেন, একজন জামায়াত কর্মী মানেই একজন সমাজকর্মী অতএব সকল কর্মী ভাইকে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে কাজ করে নিজেদেরকে যোগ্য দায়িত্বশীল হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। আগামীর দেশ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান।
ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম