
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পরিবহন মালিক, শ্রমিকসহ অংশীজনদের নিয়ে জরুরি সভা হয়। ওই সভার সিদ্ধান্তের আলোকে বাস চলাচল শুরু করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়।
এর আগে বুধবার (২০ মে) সকাল থেকে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার বলাখাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক বাস থামানোর দাবীতে সড়কে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা। তারা চাঁদপুর-কুমিল্লার মধ্যে চলাচলকারী দুটি পরিবহন বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের বাস বলাখালে আটকে রাখে। তারই ধারাবাহিকতায় রাত আনুমানিক ৮টার দিকে থামানো বাসের শ্রমিকদের মারধর ও কয়েকটি বাসে ভাংচুর চালায় স্থানীয় দুর্বৃত্তরা।
এদিকে এই ঘটনার পর দুটি পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের পক্ষ থেকে চাঁদপুর-কুমিল্লার মধ্যে বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়। যার বাস্তব প্রতিফলন শুরু হয় বৃহস্পতিবার ভোর থেকে। পরিবহনগুলো বন্ধ থাকায় এই রুটের সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে।
এমন পরিস্থিতিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী এবং ওইসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দুটি পরিবহনের মালিক পক্ষ, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে জেলা প্রশাসকের আহবানে জরুরি বৈঠক হয়।
সভা শেষে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিন বলেন, শ্রমিকদের মারধর করে আহত করার ঘটনায় ওই এলাকার লোকজন দু:খ প্রকাশ করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহতদের চিকিৎসা সহায়তা দেয়া হবে। ঘটনাটি তদন্ত করার জন্য কমিটি গঠন করব। আর বলাখালে বাস থামানোর বিষয়ে অংশীজনদের নিয়ে ঈদ পরবর্তী আরেকটি সভা করা হবে এবং তখন এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।



