
চাঁদপুর: চাঁদপুর শহরের খুচরা বাজারে হঠাৎ ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪০ টাকা। কয়েকদিন আগেও ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে কেজি ১৯০ টাকায়।
বুধবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে শহরের বিপনীবাগ বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
এদিকে সোনালী ও কক মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৩৬০ টাকা। দুইদিন আগেও প্রতিকেজি ৩২০ টাকা বিক্রি করেছে খুচরা ব্যবসায়িরা।
ভোক্তারা বলছেন, কয়েকদিন পরপরই ব্যবসায়িরা নানা কারণ দেখিয়ে দাম বাড়ান। দাম বাড়ানোর কারণের কোনো অভাব নেই।
ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা নাজির পাড়ার বাসিন্দা পারভীন আক্তার নামে গৃহবধূ ও বিষ্ণুদি মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দা বেসরকারি স্কুল শিক্ষক আঃ রহমান বলেন, উৎপাদন পর্যায়ে দাম ১০ টাকা বাড়ালে খুচরা বাজারে দাম বাড়ে ৫০ টাকা। এতে সব সময় ঠকছেন নিন্ম আয়ের মানুষ। পণ্যের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণে বাজার তদারকি বাড়ানোর আহবান জানান ক্রেতারা।
বিপনীবাগ মুরগি ব্যবসায়ি সফিক সরদার বলেন, ভ্যাপসা গরম তার সঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিং। একদিকে তাপদাহ অপরদিকে বিদ্যুৎহীন দিন-রাত। গরমে মুরগি অসুস্থ হয়ে পরেছে। ব্রয়লারের চাহিদা বেড়েছে কিন্তু সেই তুলনায় ব্রয়লারের সরবরাহ বাড়ছে না তাই দামে প্রভাব পড়েছে।
মুরগি ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, মুরগির দাম অনেক বেশি। যে লাল লেয়ার মুরগি দুইদিন আগে ৩২০ টাকা বিক্রি করেছেন তা এখন ৩৬০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ২৩০-২৩৫ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে। মোকামে দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। বাড়তি দামে কেনার কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে ঈদে মুরগির দাম আরো বাড়বে।
শহরের মিশন রোড এলাকার ব্রয়লার মুরগি বিক্রেতা রাজু জানান, পাইকারি বাজারে দাম বাড়লে খুচরা বাজারেও দাম বাড়ে। তাছাড়া ভ্যাপসা গরমে অনেক মুরগি মরেও যায়। ফলে খুচরা ব্যবসায়িরা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। মূলত ঈদকে সামনে রেখে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা বেশি থাকায় দাম বাড়ছে।
এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চাঁদপুরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন রুবেল বলেন, বাজার তদারকি চলছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ লঙ্ঘন করা হলে জনস্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফম/এমএমএ/


