কচুয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সুরমা বাস ভাংচুর

কচুয়া (চাঁদপুর): চাঁদপুরের কচুয়ায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ৪টি সুরমা সুপার পরিবহনের বাস ভাংচুর করেছেন দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ডাকবাংলো সড়কের পশু হাসপাতাল সংলগ্ন সাংবাদিক প্রিয়তুষ পোদ্দারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স মা ট্রেডার্সের এ ভাংচুর হয়। এ ভাংচুরের ঘটনায় সুশীল সমাজ ও প্রেসক্লাবের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয়রা জানান পৌর বাজার থেকে একটি মিছিল বের হয়ে পশু হাসপাতাল সংলগ্ন ফারুকের প্লাষ্টিকের দোকান ভাংচুর করে, প্রিয়তুষ পোদ্দারের দোকানের থাইগ্লাস ভাংচুর করা হয়। দুর্বৃত্তদের সহযোগিতা করেন বিএনপি নামধারী মাহবুব আলম, জাহাঙ্গীর আলম ও মোশারফ হোসেনসহ বেশ কয়েকজন।

পরে মিছিলটি বিশ্বরোড গিয়ে মর্ডান হাসপাতাল, আব্দুল হাই ফাউন্ডেশন, ট্রমা হাসপাতাল এন্ড জেনারেল হাসপাতাল, কচুয়া টাওয়ার হাসপাতাল ও তালুকদার এন্টার প্রাইজ ভাংচুর করে, কচুয়া টু ঢাকাগামী ৪টি সুরমা সুপার বাস ভাংচুর করে এবং কচুয়া পৌর বাজারের আওয়ামী সমর্থকদের কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বন্ধ করে দেয় দৃর্বৃত্তরা। হঠাৎ করে কচুয়া উত্তালে জনমনে আতংক বিরাজ করছে।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানায়- কি কারনে শান্ত কচুয়াকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে একটি মহল তা আমাদের বোধগম্য নয়। প্রিয়তুষ পোদ্দার জানান- আমি সাংবাদিক হয়ে ও এই পর্যন্ত দুইবার আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে, কচুয়ায় আইন শৃঙ্খলা কোন পর্যায়ে আছে। আমি “জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠের” কচুয়া প্রতিনিধি ও চাঁদপুর থেকে প্রকাশিত “দৈনিক চাঁদপুর দর্পণ” পত্রিকার স্টাফ রির্পোটার হিসেবে কাজ করছি। ব্যবসার পাশাপাশি দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করে আসছি। দৃবৃর্ত্তরা বারবার কেন আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আমার বোধ্যগম্য নয়। তাদের প্রতি আমার কোন বিদ্বেষ নেই। তবু আমি বলবো প্রভু এদের ক্ষমা করো।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আবদুল হালিম জানান, হঠাৎ করে কচুয়ার পরিস্থিতি উত্তপ্ত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ কাজ করছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম